দাড়ি রাখার কারণে কোনো পুলিশ সদস্যকে শাস্তি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি)।
তিনি বলেন, শাস্তি দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র নিয়ম-শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে। সোমবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে শহরের বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসপি এ বক্তব্য দেন।
এসময় তিনি বলেন, “আমি নিজেও দাড়ি রেখেছি। আমার অধীনে অনেক কর্মকর্তা দাড়ি রাখেন এবং নারী কর্মকর্তারা হিজাবও পরিধান করেন। যারা অনুমতি চেয়েছেন, তাদের সবাইকেই দাড়ি রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে তিন কর্মকর্তাকে যে লঘু শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তা দাড়ি রাখার কারণে নয়; বরং নিয়ম-শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য।
সভায় এসপি উপস্থিত ইমাম ও খতিবদের সামনে লিখিত ডকুমেন্ট উপস্থাপন করেন এবং ওই তিন কর্মকর্তাকেও হাজির করেন। তারা নিজেরাও স্বীকার করেন যে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে নিয়ম ভঙ্গের কারণে, দাড়ি রাখার জন্য নয়।
এসপি অভিযোগ করেন, “কিছু ব্যক্তি ডিপার্টমেন্টের কাগজপত্র বাইরে ছড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে প্রপাগাণ্ডা চালাচ্ছে এবং সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে।” তিনি ইমাম-খতিবদের অনুরোধ করেন, যাতে এ বিষয়ে কোনো ভুল বার্তা সমাজে ছড়িয়ে না পড়ে।