বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জসহ বৃহত্তর সিলেট বিভাগের আপামর জনগণের একটাই প্রত্যাশা—ডা. আবুল মনসুর শাখাওয়াত হাসান জীবন-কে দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে দেখতে চান তারা। স্থানীয়দের বিশ্বাস, তাঁর নেতৃত্বে স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হবে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। দলীয় পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দাদের মতে, পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে এই জনপদ সবচেয়ে বেশি অবহেলার শিকার হয়েছে। হাসপাতাল, আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবলের অভাবে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে দীর্ঘদিন।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বিএনপি ক্ষমতায় এলে স্বাস্থ্য খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে। বিশেষ করে বৃহত্তর সিলেট বিভাগ-এর প্রতিটি জেলার মানুষ উন্নত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা পাবে—এমন প্রত্যাশা তাদের।
এ অঞ্চলের মানুষের অধিকার আদায়ে ডা. জীবন নিজেকে সর্বদা বিলিয়ে দিয়েছেন বলে মনে করেন স্থানীয়রা। হবিগঞ্জ-বাসীর কাছে তিনি ‘গরিবের ডাক্তার’ নামেই বেশি পরিচিত। আর্থিকভাবে সচ্ছল পরিবার থেকে আসা সত্ত্বেও তিনি সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে সবসময় অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
স্থানীয় নেতারা জানান, তিনি যদি স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব পান, তাহলে স্বাস্থ্য খাতে বিদ্যমান দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সরকারি হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে বলে তারা আশাবাদী।
একজন সমাজকর্মী বলেন, “ডা. জীবন শুধু রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন মানবিক চিকিৎসক। তাঁর হাতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গেলে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।”
এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের মন্তব্য, “আমরা চাই একজন সৎ, দক্ষ ও জনবান্ধব মানুষ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব দিক। ডা. জীবন সেই যোগ্যতা রাখেন।”
সব মিলিয়ে বানিয়াচং–আজমিরীগঞ্জসহ বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের মানুষের দৃঢ় বিশ্বাস—ডা. আবুল মনসুর শাখাওয়াত হাসান জীবন স্বাস্থ্য মন্ত্রী হলে স্বাস্থ্য খাতে শৃঙ্খলা ফিরবে, বাড়বে সেবার মান, আর সাধারণ মানুষের চিকিৎসা অধিকার হবে আরও সুসংহত।