গত কয়েকদিন আগে হবিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসর হয়েছেন চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নুর আলম।
তার বিরুদ্ধে ঘুষ, চাঁদাবাজি ও নানা প্রকার অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—থানায় সাধারণ মামলা গ্রহণ থেকে শুরু করে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রেও চলছে গোপন টাকার লেনদেন।
এ নিয়ে স্থানীয় দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় ২০ আগস্ট বুধবার একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ২১ আগস্ট সন্ধায় বার্তা সম্পাদক তারেক হাবিবকে প্রাণে হত্যার জন্য টাকা খরচ করেছেন ওসি।
এমনকি মব সৃষ্টি করে এমন ভাবে হামলা করিয়েছেন সাংবাদিক তারেক হাবিবের উপরে যেন বুঝার উপায় নেই এর পিছনে ওসি নুর আলমের হাত আছে, তবে এর পিছনে ছিল মাস্টার মাইন্ড কোর্ট পুলিশ কর্মকর্তা নাজমুল। মব হামলায় আহত তরেক হাবিবকে জেলা কারাগার থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে প্রেরনকরা হয়েছে।
একের পর এক অভিযোগে অভিযুক্ত চুনারুঘাট থানার ওসি এর আগে ২৩ মার্চ রবিবার সন্ধ্যায় মায়া এবং আহাম্মদাবাদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াহিদকে আটক করা হয়েছিল। পরবর্তীতে ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে হাজত থেকে মাদক ব্যবসায়ী ওয়াহিদুল ইসলামকে প্রকাশ্যে মুক্তি দেন চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মিঃ নুর আলম। টাকা দিতে না পারায় সাংবাদিক ফুল মিয়া খন্দকার মায়াকে কোন মামলা ছাড়াই জেলে প্রেরণ করা হয়।
এছাড়া : ২০২১ সালে সুনামগঞ্জ শাল্লা থানায় ওসি নুর আলম থাকা অবস্থায় নারী সহকর্মীকে কুপ্রস্তাব * মাদক ও জুয়া থেকে মাসে কয়েক লাখ টাকা মাসোহারা * টাকা ছাড়া পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, এফআইআর কিছুই হতো না এজন্য (১২ আগস্ট ২০২১) তারিখের ৩৮৭/২০২১ নম্বর আদেশে ওসি মো. নুর আলমকে ক্লোজড করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে কোন পুলিশ কর্মকর্তা বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
তারেক হাবিব উপরে হামলার বিষয়ে দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকার সম্পাদক সুশান্ত দাস গুপ্ত বলেন তারেক হাবিব কে সিলেটে প্রেরণ করা হয়েছে। সে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে।