শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার মাস্টার রুলে নিয়োগ পাওয়া পৌর যুবলীগ নেতা জিয়া উদ্দিনকে নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা ঝড়। যুবলীগ নেতা জিয়া উদ্দিনের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলা, পৌরসভার অর্থ লুপাট ও সেবাগ্রহীতাদের সাথে অসদাচরণসহ বিস্তর অভিযোগ থাকার পরও বহাল তবিয়তে আছেন তিনি। বিএনপি পন্থী কর্মচারীদের বাদ দিয়ে যুবলীগনেতাকে চাকুরীতে বহাল রাখায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।
অভিযোগ রয়েছে পৌরসভার সচিব তার ব্যক্তিগত স্বার্থে রেখে দিয়েছেন এই যুবলীগনেতাকে। জিয়া উদ্দিনকে দিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম করে যাচ্ছেন আওয়ামীপন্থী কর্মকর্তা নুরুল আমিন।
জানা যায়, বিগত মেয়রের সময়ে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ পান যুবলীগ নেতা জিয়া উদ্দিনসহ কয়েকজন। অন্তর্বর্তি সরকার পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলরদের অপসারণের পর কয়েকজন কর্মচারীকে বাদ দিলেও অজ্ঞাত কারনে যুবলীগ নেতা জিয়া উদ্দিনকে রেখে দেন।
বিগত আওয়ামীলীগের আমলে বিএনপি নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে হয়রানী, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে হামলা ও দলীয় প্রভাব বিস্তার করে পৌরসভা থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায় সহ নানান অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এতো অভিযোগের পরও তাকে দিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম করে যাচ্ছে কর্মকর্তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার একাধিক কর্মচারী বলেন, আমরা স্থায়ী স্টাফ হলেও সচিব জিয়ার তার কথায় উঠবস করে। তার মাধ্যমে পৌরসভার টাকা লুপাটের পায়তারা করে যাচ্ছেন সচিব নুরুল আমিন।
এই যুবলীগ নেতাকে দ্রুত চাকুরিচ্যুত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।