শুধু বিনোদন নয়, জ্ঞানভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের জন্যও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ইউটিউব চ্যানেলের সংখ্যা। তবে নিয়মিত ভিডিও দিলেও অধিকাংশ চ্যানেলেই ইউটিউবের মনিটাইজেশন বা অর্থ আয়ের সুবিধা পায় না।
ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য অনেকেই এক বা একাধিক চ্যানেল খোলেন। কিন্তু নিয়মিত ভিডিও দিলেও অধিকাংশ চ্যানেলেই ইউটিউবের মনিটাইজেশন বা অর্থ পাওয়ার সুবিধা চালু হয় না। কারণ মনিটাইজেশন পাওয়ার জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে ইউটিউবের। এসব শর্তের কারণে ভিডিওর মান যতই ভালো হোক না কেন, সব চ্যানেলে এই সুবিধা চালু করে না ইউটিউব।
ইউটিউবের কমিউনিটি নীতিমালা না মেনে ভিডিও তৈরি করলে কোনোভাবেই একটি চ্যানেল মনিটাইজেশনের অন্তর্ভুক্ত হবে না। এমনকি কমিউনিটি ‘গাইডলাইন স্ট্রাইক’ পেলেও এ চালু করা হবে না। তাই মনিটাইজেশন চালু করতে যথাসম্ভব চেষ্টা করতে হবে ‘গাইডলাইন স্ট্রাইকের’ কবলে না পড়ার।
অনেকেই পরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অন্য ডিভাইস থেকে নিয়মিত নিজেদের তৈরি ভিডিওতে ক্লিক করে ভিডিও দেখার সময় বাড়ানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু একই ডিভাইস থেকে একই চ্যানেলে বারবার ভিডিও দেখা হলে চ্যানেলে মনিটাইজেশন সুবিধা দেয়া হয় না।
অন্যের মেধাস্বত্ব করা ভিডিও বা অডিও ব্যবহার করা চ্যানেলগুলোয় মনিটাইজেশন চালু করা হয় না। কারণ চ্যানেলে থাকা ভিডিওগুলোকে পুনরায় ব্যবহার করা কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করে ইউটিউব।
গ্রাহক বা সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা বেশি থাকলেও যেসব চ্যানেলের ভিডিও বেশিরভাগ সাবস্ক্রাইবার দেখেন না, সেগুলোয় মনিটাইজেশন চালু হয় না। সাবস্ক্রাইব করার পর চ্যানেলটিতে আর কখনো প্রবেশ না করা ব্যক্তির সংখ্যা বেশি থাকলে এমনটি করা হয়।
এসব চ্যানেলের পাশাপাশি ভুল তথ্য বা বিভ্রান্তি ছড়ানো চ্যানেল। অশ্লীল ভিডিও প্রকাশসহ আরও বেশ কিছু চ্যানেলে মনিটাইজেশন সুবিধা দেয় না ইউটিউব।