Connect with us

জাতীয়

মাদরাসায় পড়ার সময়টা জীবনের সবচেয়ে ভালো মুহূর্ত ছিল

Published

on

সৌন্দর্য ও অভিনয় দিয়ে দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল। পর্দায় চরিত্রকে জীবন্ত করে তুলতে তার জুড়ি মেলা ভার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবন এবং শৈশবের পাতা খুলে দিয়েছেন তিনি।

কেয়া জানিয়েছেন, ছোটবেলায় নিজের ইচ্ছায় মাদরাসায় ভর্তি হয়েছিলেন এবং সেখানে প্রায় এক বছর পড়াশোনা করেছেন। মাত্র সাত-আট বছর বয়সে একটি আবাসিক মাদরাসায় ভর্তি হয়েছিলেন তিনি।

কেয়ার কথায়, সাভারে আমার বাসার পাশে সামিরা, সাদিয়া নামে দুইজন বন্ধু ছিল। ওরা মাদরাসায় পড়বে। তখন আমিও আব্বু-আম্মুকে বললাম ‘আমি মাদরাসায় পড়তে চাই’। তখন আব্বু-আম্মু বলেছিলেন ‘এটাতো খুবই ভালো কথা। আমরা গিয়ে তোমাকে ভর্তি করে দিয়ে আসব’। তখন আমার বয়স মাত্র ৭/৮ বছর হবে।”

কথার সূত্র ধরে অভিনেত্রী যোগ করেন,‘‘আমি তখন স্কুলে ভর্তি হয়েছি। বাড়িতে নিজেই মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার কথা বলেছিলাম। আব্বু-আম্মু বললো ‘আচ্ছা ঠিক আছে একদিন সময় দেও। আমরা নিয়ে গিয়ে তোমাকে ভর্তি করে দিয়ে আসব’। ওরা (সামিরা-সাদিয়া) তখন মাদরাসার আবাসিকে থাকত। তখন আমার মনে হচ্ছিল একদিন অপেক্ষা করব। তার থেকে ভালো আমি চলে যাই। আমি বাড়ির কাউকে না বলে হেঁটেই মাদরাসায় চলে গিয়েছিলাম।’

এ তারকা আরও বলেন, মাদারাসায় গিয়ে আমি বলেছিলাম ‘আমাকে আপনারা রেখে দেন। এখানে আমার বন্ধুরা আছে। আর আব্বু-আম্মুরা আগামীকাল আসবেন। আজকে একটু থাকি। ওনারা কালকে এসে আমাকে ভর্তি করবেন। তখন ওনার (মাদরাসার শিক্ষক) বলেন, এই মেয়ে কী বলে? ওই মাদরাসায় প্রায় একবছর পড়েছিলাম।

মাদরাসায় পড়ার সময়টা নিজের জীবনের এক অনন্য সময় কাটিয়েছেন উল্লেখ করে কেয়া বলেন, শৈশব থেকেই আমি খুব লক্ষ্মী ছিলাম। ওখানে সবাই আমাকে খুব পছন্দ করতেন। আমি গজল প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তাম। আমার খুব ভালো লাগত। আমার কাছে মনে হয় ওই সময়টা জীবনের সবচেয়ে ভালো মুহূর্ত পার করেছি।

স্বত্ব © ২০২৬ বাংলা মিরর | সম্পাদক : মোঃ খায়রুল ইসলাম সাব্বির