লাখাই উপজেলার গুনিপুরে সংঘর্ষে ফরিদ খাঁন নিহতের ঘটনার জেরে, প্রতিপক্ষ হুমায়ুন, ছোরাব গংদের বাড়িঘর লুটপাটের লুন্ঠিত (ফার্নিচার) মালামাল নিয়ে পালিয়ে যাবার সময় নসাই মিয়া(৫৫) নামে একজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। সে মাধবপুর উপজেলার পুড়াইখোলা গ্রামের মৃত ইউনুস মিয়ার ছেলে। শুক্রবার দিবাগত উপজেলার সিংহগ্রাম এলাকায় এ ঘটনাঘটেছে।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, ১৫ সেপ্টেম্বর গুনিপুর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা শরিফুল, আউয়াল, শামীম গং লোকজনের সাথে মোতাব্বির, ছোরাব, হুমায়ুন গং লোকজনের সাথের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, এতে শরিফুল পক্ষের ফরিদ খাঁন গুরুতর আহতয়ে ১১ অক্টোবর দিবাগতরােত
চিকিৎসাধীন মৃত্যুবরন করেন। তারই জেরে এপর্যন্ত প্রায় ২০/২৫টি ঘর বাড়ি, লুটপাট ও ভাংচুর করে, এতে ঘরবাড়িসহ কয়েক কোটি টাকার মালামাল লুটপাট ভাংচুর হয়। লুটপাটের অংশ হিসেবে শুক্রবার দিবাগতরাতে শরিফুল, আউয়াল গংদের নির্দেশে মাধবপুরের কয়েকজন লোক দিয়ে লুণ্ঠিত মালামাল পিকাপ যোগে পাচারকালে সিংহগ্রামে স্থানীয় জনতা ঐ লুটপাটকৃত মালামালসহ নসাই মিয়া নামে একজনকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে লাখাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জালাল আহমেদ, শৈলেশ দাশ সঙ্গী ফোর্স ঐ ব্যাক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক(এসআই) শৈলেশ চন্দ্র দাশ বলেন, গুনিপুরের হুমায়ুনের দায়ের করা লুটপাট মামলায় এ আসামীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। গতকাল শনিবার আসামীকে হবিগঞ্জ জেলা সদরে সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।অন্যদিকে লুণ্ঠিত মালামাল স্থানীয় একজনের জিম্মায় রাখা হয়েছে বলে সুত্রে জানাগেছে।