লাখাই উপজেলার তেঘরিয়া ১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে স্কুলের পুরাতন লোহালক্কড় ও কাঠের টেবিল এবং অন্যান্য সামগ্রী বিধি বহির্ভুতভাবে বিক্রি করে দিয়েছেন মর্মে অভিযোগ উঠে, পরে পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়, তার প্রেক্ষিতে উপজেলা শিক্ষা অধিদপ্তর ২ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করলে গতকাল মঙ্গলবার তদন্তে নামেন লাখাই উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার এস এম কামরুজ্জামান ও প্রনবকান্তি মালদার নামে দুই তদন্তকারী কর্মকর্তা, পরে তারা অভিযোগের ভিত্তিতে লিখিত স্বাক্ষ্য গ্রহণ করলে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক অভিযোগ গুলো এড়িয়ে যায়। তবে এ প্রতিনিধির কাছে আসা ভিডিওতে ভাঙ্গারী দোকানী মুজিবুর স্কুলের পিছন দিয়ে বেনগাড়ি যোগে মাল নিয়ে যাচ্ছেন বলে দৃশ্য লক্ষ্য করা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, শিক্ষা অফিস থেকে আগত দুইতিনজন লোক স্কুলের ভিতরে যেতে দেখেছি, তবে বাহিরের কারও সাথে কথা বলতে দেখেনি, প্রধান শিক্ষকের যোগসাজে তারা তাদের মনগড়া নয় ছয় তদন্ত করেছেন, নতুন করে আবার তদন্ত কমিটি গঠন করে তদন্ত করলে, মালামাল বিক্রির ঘটনার সত্যতা মিলবে বলে জানান তারা। তারা আরও বলেন বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের বিপুল পরিমাণ কাঠ ও লোহা সামগ্রী বিদ্যালয়ের পিছনের রাস্তা দিয়ে ভাঙ্গারী দোকানী মুজিবুরের নিকট বিক্রি করেছেন।
এব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রনয়কান্তি মালদার বলেন, লিখিত বক্তব্য নিয়েছি, লিখিত বক্তব্যে পুরাতন মালামাল বিক্রির ঘটনায় প্রমাণ মেলেনি। পুরাতন মালামাল বিক্রির ভিডিও আছে মর্মে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ভিডিও আমলে নেয়া সম্ভব নয়, আমার বাটুন মোবাইল। অফিসে আইসেন আগামীকাল, আপনার চায়ের দাওয়াত রইল। পরে অপর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএম কামরুজ্জামান বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন ঊর্ধতন কর্মকর্তা বরাবর প্রেরণ করা হবে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছ থেকে তদন্তের রিপোর্ট সংগ্রহ করবেন, তদন্তের স্বার্থে এইমুহুর্তে কিছু বলা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলী আহমেদ বলেন, লিখিত জবাব দিছি, আপনি আমার বক্তব্য তাদের কাছ থেকে নেন।
এব্যাপারে লাখাই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।