হবিগঞ্জ বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক শেখ আবু মোঃ ফয়সাল এর উপর দুর্বৃত্তদের হামলা।
নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ রোডে নাগুরা ফার্ম নামক এলাকায় শচীন্দ্র ডিগ্রী কলেজের সামনে কতিপয় দুর্বৃত্তের হামলার শিকার হন শেখ মোঃ আবু ফয়সাল। সে বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়নের কালাইনজুরা গ্রামের শেখ আবু মোঃ ইউসুফ এর ছেলে।
গত ৭ আগষ্ট (রবিবার) আনুমানিক বিকাল সাড়ে পাচঁ ঘটিকার সময় তার উপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা তরফ বার্তার রিপোর্টার গঠনাস্থলে উপস্থিত হলে সেখানে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে উক্ত বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলে ঘটনার সময় প্রত্যক্ষদর্শী জনৈক ব্যক্তি রাজু আহমেদ ও অনিক মিয়া জানান যে তারা ঘটনার সময় পাশে রাস্তার মাঠে কাজ করতে ছিলেন হঠাৎ শোরচিৎকার শুনতে পান,
তারা দেখতে পায়, তিনটি মোটরসাইকেল যোগে ৬ থেকে ৭ জন ছেলে মুখে মাস্ক পরা আকস্মিক ভাবেই কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ভিকটিমের উপর লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপুরি আঘাত করতে থাকে তাৎক্ষনিক এ সময় ভিকটিম সাহায্যের জন্য শোরচিৎকার দিলে আমরা ও আশেপাশে থাকা অনেকেই দৌড়ে গিয়ে তাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে গেলে ঠিক তখনি দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল যোগে তাড়াতাড়ি ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়।
তখন আমরা ভিকটিমের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি তারপর ভিকটিমের পরিবারকে জানিয়ে আমরা তাকে রক্তাক্ত ও আহত অবস্থায় নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং থাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে শেখ আবু মোঃ ফয়সালের সাথে যোগাযোগ করলে বিষয়টি নিয়ে তিনি জানান যে বৃন্দাবন কলেজ থেকে তিনি তার দলীয় একটি মিটিং শেষে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন পথিমধ্যে তিনি শচীন্দ্র ডিগ্রী কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলতেছিলেন হঠাৎ করে কিছু মুখে মাস্ক পড়া লোকজন তাকে ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে আঘাত করতে থাকলে তিনি আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন ও সাহায্যের জন্য চিৎকার করলে আশেপাশে উপস্থিত থাকা লোকজন থাকে সেভ করেন হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এই বিষয়ে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহিকে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা জানান, এই বিষয়ে তারা অতি শীগ্রই দলীয়ভাবে আলোচনায় বসবেন।
এব্যাপারে হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ ডালিম আহমেদ এই প্রতিবেদককে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ঘটনা স্থলে আমাদের টিম এর সদস্যরা গিয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে তদন্ত হয়েছে। আহতের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।