Connect with us

মিরর বিশেষ

হুমকি দিয়ে সরকারি চাকরি

| দিতে চান দুই সমন্বয়ক

Published

on

ছবি | আহ্বায়ক আরিফ এবং সদস্য সচিব মাহদী

হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসককে হুমকি দিয়ে হবিগঞ্জ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র রাশেদা বেগমকে সরকারি চাকরি দিতে চান আহ্বায়ক আরিফ তালুকদার, সদস্য সচিব মাহদী। কিন্তু তাদের এই প্রস্তাবে রাজি না হয়ে সেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন মুখপাত্র রাশেদা।

ঘটনার সূত্রপাত সম্প্রতি তথ্য আপা : প্রকল্প (২য়) চাকরি স্থায়ীকরে ঢাকা প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থা কর্মসূচি পালন করেন রাশেদা বেগম এবং একই প্রকল্পে কর্মরত অনেকেই এ সময় পুলিশ কর্তৃক হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন রাশেদা ও তার সহকর্মীরা।

পরবর্তীতে হবিগঞ্জ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতাদের সহযোগীতা না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোষ্ট দিয়ে মুখপাত্র পদ থেকে সেচ্ছায় পদত্যাগ করেন রাশেদা, পরের দিন তিনি হবিগঞ্জ কাঁপাতে ছাত্রদলে যোগদান করার আরেকটি পোস্ট করেন এসময়  মোজাক্কির হোসেন নামে এক ছাত্রদল নেতার সাথে একটি ছবিও নিজ ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন।

তথ্য আপা আন্দোলন চলাকালে ওয়াটসাপে গ্রুফ কলে রাশেদাকে ঘন্টার পর ঘন্টা মোটিভেশন করেন আহ্বায়ক আরিফ তালুকদার, সদস্য সচিব মাহাদি এবং সালমান নামের একজন এসময় রাশেদা ওই গ্রুফ কলে বলেন আমি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সদস্য আমি বৈষম্যের শিকার হয়েছি আমি একজন নারী আমার পার্দা নিয়ে টানা টানি করা হয়েছে কই তোমারা কোন প্রতিবাদ করলান না তখন রাশেদাকে বলা হয় আন্দোলন ফেলে চলে আসো আমার তোমাকে ডিসি অফিসে সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করে দিব। প্রয়োজনে ডিসিকে হুমকি দিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করে দিব।রাশেদা তাদের প্রস্তাবে রাজি হননি এবং ফেসবুক পোস্ট দিয়ে নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

বাংলা মিরর এর হাতে আসা অডিও রেকর্ড পর্যালোচনা করে দেখা যায়  রাশেদা বেগম আহ্বায়ক আরিফ, সদস্য সচিব মাহদীর উপরে চাঁদাবাজির আভিযোগ তুলেন, তিনি বলেন আমার নাম বিক্রি করে বিভিন্ন দপ্তর থেকে চাঁদাবাজি করছেন আহ্বায়ক এবং সদস্য সচিব, আমি শহীদের রক্তের সাথে বেঈমানী করার মেয়ে না আল্লাহ ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না।

এ বিষয়ে জানতে সদস্য সচিব মাহদী এবং আহ্বায়ক আরিফ তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাদের পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় প্রশাসন এবং সুশীল সমাজ এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তাঁরা বলছেন, প্রশাসনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও প্রভাব বিস্তারের প্রবণতা যদি এইভাবে চলতে থাকে, তবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

স্বত্ব © ২০২৬ বাংলা মিরর | সম্পাদক : মোঃ খায়রুল ইসলাম সাব্বির