Connect with us

দূর্নীতি

৫৭৫ টাকার লাইসেন্সে ২০ হাজার দাবি

| করাতকলের লাইসেন্স নবায়নের নামে ঘুষের রমরমা বানিজ্য করে যাচ্ছেন রেঞ্জ কর্মকর্তা।

Published

on


করাতকলের লাইসেন্স নবায়নের নামে ঘুষের রমরমা বানিজ্য করে যাচ্ছেন সিলেট বন বিভাগের শায়েস্তাগঞ্জ রেঞ্জ কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত ফি পরিশোধ করেও লাইসেন্স নবায়নের জন্য করাতকল মালিকদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। আর চাহিদা মতো ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানালেই তাদের লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রাখা হয়। হুমকি দেওয়া হয় উচ্ছেদেরও।

ভুক্তভোগী করাতকল মালিকদের অভিযোগ, লাইসেন্স নবায়নের জন্য সরকার নির্ধারিত ফি মাত্র ৫৭৫/- টাকা। কিন্তু রেঞ্জ কর্মকর্তা তোফায়েল দাবি করেন ১৫-২০ হাজার টাকা। ১০ হাজারের কমে তিনি কোন নবায়ন সুপারিশ করেন না। কেউ টাকা না দিলে মাসের পর মাস ফাইল ফেলে রাখেন।


একাধিক করাতকল মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “প্রতিবার নবায়নের সময় রেঞ্জ কর্মকর্তা একটি রিপোর্ট দেন। সেই রিপোর্ট দিতে মোটা অংকের ঘুষ দাবি করেন তোফায়েল। টাকা দিলে অল্প দিনের মধ্যে লাইসেন্স হয়ে যায়, না দিলে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়।”

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এসব অনিয়মের কারণে অনেক বৈধ করাতকল মালিক ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছেন। তারা বলছেন, সরকারি রাজস্ব দিতে তারা প্রস্তুত, কিন্তু ঘুষ দিয়ে ব্যবসা চালানো সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শায়েস্তাগঞ্জ রেঞ্জ কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার WhatsApp নাম্বারে ম্যাসেজ দিলে তিনি কোন রিপ্লাই দেননি।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, করাতকলের লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক তদন্ত জরুরি। নয়তো এভাবে চলতে থাকলে বন বিভাগের ভাবমূর্তি আরও প্রশ্নের মুখে পড়বে।

স্বত্ব © ২০২৬ বাংলা মিরর | সম্পাদক : মোঃ খায়রুল ইসলাম সাব্বির