জাতীয় পরিচয় পত্র জালিয়াতি করে ছাত্রলীগের উচ্চ পদে ইব্রাহিম

  • বাংলা মিরর /এজে
  • ১৫,জানুয়ারী,২০২২ ০৩:২০ AM

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মো. ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে সংগঠনের পদ পেতে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি ও নিজের বাবা মায়ের পরিচয় বদলে  জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। ফেলেছেন তিনি। এছাড়া পদ বাণিজ্য সহ নানা অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।  

জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১১-১২ মে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সর্বশেষ অনুষ্ঠিত হওয়া কাউন্সিলে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২৭ বছরের বেশি বয়স্কদের ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের পদায়ন নিষিদ্ধ বর্নিত থাকলেও, কাউন্সিলের আগে মো. ইব্রাহিম মহানগর উত্তরের তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুসরাত জাহান নুপুরের কাছে নিজের ত্রুটিপূর্ন বায়োডাটা জমা দেন।  

 

এক্ষেত্রে ছাত্রলীগের পদ বাগিয়ে নিতে ভুয়া জাতীয় পরিচয় পত্র ব্যবহার সেই সাথে পিতা এবং মাতার নাম ও অন্যান্য তথ্য সমূহে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধান প্রক্রিয়ায় দেখা যায়, মনোনয়ন পত্রে লিপিবদ্ধ পিতা ও মাতার নাম যথাক্রমে মো. ইউসুফ আলী ও মেহেরুন নেসা। এছাড়া বিভ্রান্তি রয়েছে জন্ম তারিখ নিবন্ধের ক্ষেত্রে। ১৯৯০ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের ২৮ তারিখ উল্ল্যেখ থাকলেও সে অনুযায়ী সম্মেলনের সময় মো. ইব্রাহিমের বয়স ছিলো ২৮ বছর আড়াই মাস। 

১১-১২ই মে সর্বশেষ অনুষ্ঠিত সম্মেলনের ২ মাস ২২ দিন পর সমালোচিত শোভন-রব্বানী কমিটি ঘোষণারা পাশাপাশি ঘোষণা করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের শীর্ষ দুটি পদের নাম। সেখানে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি পদে নিযুক্ত হন মো. ইব্রাহিম। 

 

সূত্র মতে জানা যায়, সম্মেলন পূর্ববর্তী জমা দেওয়া মনোনায়ন তথ্যে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করেন তিনি। সেখানে বাবা, মা, জন্ম তারিখ সহ জাতীয় পরিচয়পত্রের পূর্নাঙ্গ তথ্যই বানোয়াট এবং ত্রুটিপূর্ন।  ইব্রাহিমের জমা দেওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (নম্বর ১৯৯**********০০৪৩) নির্বাচনের কমিশনের সার্ভারেই নেই। 

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মো. ইব্রাহিম জানান, দলীয় কার্যক্রম ও সাংগঠনিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে যখনই বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড কমিটির ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত বা মতামত প্রদান করি, তখনই কিছু সংখ্যক উগ্র এবং দল ভ্রষ্ট কর্মীরা আমার ব্যাপারে মিথ্যা প্রপাকান্ডা ছড়িয়ে থাকে। 

 

 

 

সম্পর্কিত খবর

কোনো সম্পর্কিত খবর পাওয়া যায়নি