Connect with us

মিরর বিশেষ

নবীগঞ্জে স্কুলপর্যায়ে জরায়ুমুখের ক্যান্সাররোধী ছাত্রীদের এইচপিভি টিকা প্রদান।

Published

on

জরায়ুমুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে নারীদের মৃত্যুহার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে স্কুলপর্যায়ে শুরু হলো এইচপিভি টিকাদান কার্যক্রম।

রবিবার (২৭ অক্টোবর) নবীগঞ্জ উপজেলার কালিয়ার ভাঙা ইউনিয়নের মান্দার কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ ইউনিয়নের প্রতিটি বিদ্যালয়ের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং গ্যাভির সহযোগিতায় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিচালিত এই ভ্যাকসিন কার্যক্রমের আওতায় ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণি বা সমমান অধ্যয়নরত এবং ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বহির্ভূত কিশোরীদের বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের এইচপিভি টিকাদানের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের শুরু হয়েছে। মান্দার কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৮ জন ছাত্রীদের এ টিকা দেওয়া হয়।

এসয়ম উপস্থিত ছিলেন মান্দার কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের  ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নজরু ইসলাম ইসলাম সাবেক চেয়ারম্যান,  উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিটন রায়, স্বাস্থ্যসহকারী পরিমল মালাকার, সাংবাদিক মোফাজ্জল সজীব সজীব,সহ উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্যব্যক্তিবর্গ। 

 স্বাস্থ্যসহকারী পরিমল মালাকার বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রাণঘাতী এক রোগ। প্রতি বছর দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী এই রোগে মারা যাচ্ছেন। টিকার মাধ্যমে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

এইচপিভি টিকার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এর সফল ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালও সম্পন্ন হয়েছে। নবীগঞ্জ উপজেলার ৪০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ও ১৮ টি  মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের  শিক্ষার্থীদের টিকা প্রদান করা হবে। 

সুত্রে জানা -যায় আগামীতে দেশের সব নারীদের এই টিকার আওতায় আনা হবে। যার মধ্য দিয়ে জরায়ুমুখ ক্যান্সারে মৃত্যুও কমে আসবে।

বাংলাদেশ সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং গ্যাভির সহযোগিতায় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিচালিত এই ভ্যাকসিন কার্যক্রমের আওতায় ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণি বা সমমান অধ্যয়নরত এবং ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বহির্ভূত কিশোরীদের বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা দেওয়া হবে।

ইউনিসেফের পক্ষ থেকে বলা হয়, জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধী এইচপিভি টিকা নিতে ইতিমধ্যে সাড়ে পাঁচ লাখেরও বেশি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে। সংস্থাটির প্রাথমিক লক্ষ্য সিলেট  বিভাগের বিভিন্ন স্কুলে ১৪ লাখ কিশোরীকে এই টিকা দেওয়া।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে ৬ লক্ষাধিক নারী জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। বাংলাদেশে প্রতি এক লাখ নারীর মধ্যে ১১ জন জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকে, যার মধ্যে মৃত্যুবরণ করে ৪ হাজার ৯৭১ জন। সংস্থাটির সুপারিশ অনুযায়ী নিয়মিত পরীক্ষা এবং এইচপিভি টিকাদানের মাধ্যমে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © ২০২৬ বাংলা মিরর | সম্পাদক : মোঃ খায়রুল ইসলাম সাব্বির