সরকারি অফিসে বসে প্রকাশ্যে ধূমপান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে।
গত মঙ্গলবার (৯জানুয়ারী) দুপুরে সংবাদ সংগ্রহের কাজে অত্র দপ্তরে গেলে এ প্রকৌশলীর প্রকাশ্যে ধূমপানের চিত্র ক্যামেরাবন্দি করা হয়।
জানা গেছে, সরকারি বিধি অনুযায়ী পাবলিক প্লেসে ধূমপান আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে এ জন্য।এছাড়া যানবাহন, জনসমাগম স্থল এবং সরকারি- বেসরকারি অফিসে ধূমপান নিষিদ্ধ।সরকার ধূমপান রোধে আইন প্রণয়ন করলেও সরকারি অফিসে বসেই চলছে আয়েশি ধূমপান।
জানাযায়, ঐদিন বিকালে সংবাদ সংগ্রহের জন্য সাংবাদিক মনর উদ্দিন মনির ও সিনিয়র সাংবাদিক আশীষ দাস গুপ্ত লাখাই উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাকের অফিসে যান। এ সহকারী প্রকৌশলীর নিকট গেলে, লাখাই ইউনিয়নের ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বরাদ্দ কৃত সাব মার্সেবল টিউভয়েল বিতরণের অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে তালিকা চাইলে এ প্রকৌশলী তালিকা দিতে তালবাহানা শুরু করেন, উপস্থিত সাংবাদিকসহ সেবাগ্রহীতাদের সামনেই নিজ অফিসো বসেই একের পর এক সিগারেট টানতে শুরু করেন সে, একপর্যায়ে ধুমপানের চিত্র ক্যামারায় ধারণ করায় এদুই সাংবাদিককে
তথ্য দিন নি এ কর্মকর্তা, উল্টো সাংবাদিকদেে সাথে অশোভচন আচরন করেন তিনি।
আরও জানাযায়, প্রায়ই তার এক থাকে হাতে সিগারেট, অন্য হাতে সই করেন সেবা গ্রহীতাদের ফাইলে অফিসের বড় কর্মকর্তা হিসেবে বীরদর্পে অফিসে বসেই ধূমপান করেন তিনি। ধুমপানের দুর্গন্ধে তার কক্ষে অনেকেই ঢুকতে চান না।
সেবাগ্রহীতারা বলেন, আমারা বিভিন্ন কাজে প্রায়ই উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর কক্ষে যেতে হয়। অফিসে বসেই একের পর এক সিগারেট ধরান এ সহকারী প্রকৌশলী । দুর্গন্ধে তার কক্ষে যাওয়া কষ্টকর হয়। অফিসে যত লোকই থাকুক, তিনি সবার সামনেই ধূমপান করেন। এটা তার নিত্যদিনের অভ্যাস।
অভিযুক্ত সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আপনাদের যদি অসুবিধা হয় আপনারা অফিস থেকে বের হয়ে যান, পরে আসুন।
অফিসে বসে প্রকাশ্যে ধূমপান অপরাধ কি না? -এমন প্রশ্নে তিনি কোনো সদুত্তর দেননি।
এব্যাপারে লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা সুলতানা বলেন, বিষয়টা আমি দেখব।