বৈষম্যের শিকার হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে নিজের একাউন্ট থেকে আবেগঘন একটি পোস্ট দিয়েছেন হবিগঞ্জ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র রাশেদা বেগম।
তিনি লিখেছেন বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে জুলাই আন্দোলন কে পুঁজি করে গঠিত এনসিপির কাছে আমার প্রশ্ন!
গত রবিবার ঢাকা যমুনার সামনে পুলিশ আমার উপর অমানবিক লাঠি চার্জ করলে আমি বাধ্য হয়ে যখন একটি জেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন মুখপাত্র হিসেবে হাসনাত আব্দুল্লাহর সাথে দেখা করতে যাই আমার বিষয়ে কিছু না জেনেই ডিরেক্ট বলে এখানে কি? আপনাদের কোন দাবী থাকলে বিএনপি,জামাতের কাছে যান! যখন আমি বললাম আমি একজন জুলাই যোদ্ধা এবং হবিগঞ্জ জেলা শাখার মুখপাত্র তখন সে বলে তো কি হইছে?
সব কিছুর জন্য কি এনসিপিতেই আসতে হবে? একটা ছবি তুলতে চাইলে সে বলে আমি কারো সাথে ছবি তুলি না।অতচ আমার সামনেই সে কত মানুষের সাথে ছবি তুললো।মেয়ে বলে আমাকে পাত্তাই দিলো না।পুলিশ আমার উপর হামলা করেছে,আমার বোরকা নোংরা,সব কিছু দেখা সত্যেও,যাকে আমরা এতোদিন আমাদের ক্যাপ্টেন মনে করতাম তার কাছে আমরা ১ মিনিট কথা বলার সুযোগ পাই না সেখানে সাধারণ জনগণ তো অনেক দূরের কথা।
জুলাই কে যারা বিক্রি করে দিচ্ছে, আমাদের শহীদ ভাইদের সাথে বেঈমানী করতেছে তাদের স্বাক্ষর করা কোন কমিটিতে থাকা তো দূরে থাক তাদের গোনায় ধরার টাইম অন্তত আমি রাশেদার নাই।
আমি জুলাই আন্দোলন করে নিজের যোগ্যতায় মুখপাত্র হয়েছিলাম কারো দালালি করে নয়।এতো দিন পরে যখন বুঝতে পারলাম ওদের আদর্শের সাথে আমার আদর্শ যায় না সেখানে আমি সেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি।এটা আমার ব্যাক্তিগত স্বাধীনতা। আর যারা বার বার আমার বাক স্বাধীনতায় আঘাত করেছেন তাদের লাউড এন্ড ক্লিয়ার করে বলতে চাই আল্লাহ ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না।