হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রাজিউড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা পিন্টু দাস বর্তমানে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। স্থানীয়দের মতে, তিনি বর্তমানে ৭ নং নুরপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইশাক আলী সেবনের ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা ও তদারকি করছেন।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, পিন্টু দাসের বিরুদ্ধে অতীতে একাধিক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ভারতে অবস্থানকালে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশি আলেম ও ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে নানা ধরনের কটূক্তি ও সমালোচনা করতেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সে সময় কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাননি, কারণ পিন্টুর সঙ্গে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতার সুসম্পর্ক ছিল। এছাড়া, তাঁর ভাই সাগর দাস ছিলেন ছাত্রলীগের সক্রিয় নেতা। অভিযোগ রয়েছে, তাঁরা প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে হুমকি দিতেন এবং ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করতেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা হারানোর পর পিন্টু ও তাঁর ভাই এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান। তবে কিছু মাস পর পরিস্থিতি শান্ত হলে তাঁরা পুনরায় এলাকায় ফিরে আসেন।
ফিরে এসে পিন্টু দাস আবারও আওয়ামী লীগ নেতার ব্যবসা পরিচালনায় জড়িত হয়ে পড়েছেন। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, “পিন্টু আগে ভারতে থেকে ইসলাম ও আলেমদের নিয়ে যে ধরনের কথা বলত, তা একজন মুসলিম দেশের নাগরিকের কাছ থেকে কল্পনাও করা যায় না।
এভাবে চলতে থাকলে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা থাকবে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।