Connect with us

মতামত

ব্রিটেনে ইমিগ্রান্টদের জন্য দুঃসংবাদ

Published

on

২০২৪ সাল বৃটেনে, এশিয়ান চতুর মানুষদের জন্য যে খুব একটা কঠিন সময় পার করতে হবে।তার স্পষ্টই আভাস জানিয়ে দিল ক্ষমতাসীন কঞ্জারভেটিভ পার্টি।তাদের ইমিগ্রেশন নিয়মকানুন সব সময় খুবই কঠিন, তার উপর দূঃসংবাদ! আর এই কঠিন সংবাদ এর জন্য আমাদের এশিয়ান কমিউনিটি কম দায়ী নয়! তাদের নিত্য নতুন এবং বিভিন্ন কলা কৌশলী, স্মার্ট চুরি স্মার্ট বুদ্ধি, বিভিন্ন ভিসা ক্যাটাগরিতে জালিয়াতী ধাপ্পবাজী।


স্টুডেন্টরা তাদের ডিপেন্ডেন্ট আনার সময় ফেক ডিপেন্ডেন্ট নিয়ে আসা অথবা কেয়ার ভিসা, ওয়ার্ক পারমিটে যারা এসেছিল অনেকেই ফেক ডিপেন্ডেন্ট নিয়ে এসেছে এবং তাদের অনেকেরই জালিয়াতীর প্রমাণ পেয়ে গেছে। যার কারণে ক্ষমতাসেন কনজারভেটিভ পার্টি কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে । এখন থেকে স্টুডেন্ট অথবা কেয়ার ভিসায় স্পাউস আনা আরো কঠিন হচ্ছে।

এখন থেকে এসব ভিসায় আনতে হলে অনেক বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে এবং সেটা সত্যিকারের প্রমাণের জন্য পরীক্ষা দিতে হবে, কারণ অতীতে আমাদের অনেক কমিউনিটির মানুষ এগুলোকে নষ্ট করে ফেলেছে। সেজন্য ক্ষমতাসীন দল এটা করতে বাধ্য হয়েছে।

আমি এখানে কোন ধরনের সমস্যা দেখতে পাচ্ছি না। কারণ আমাদের মানুষগুলো এত চালাক, এত বুদ্ধিমান যে তারা মনে করেছে ব্রিটিশরা খুবই বোকা! তাদের মাথায় এতদিন কাঁঠাল ভেঙে খেয়েছে এবং তার সাথে সাথে অনেক ব্রিটিশ নাগরিক আছে যারা এদেশে ফকিরের জীবন যাপন করে অথচ বাংলাদেশে বা নিজ দেশে যাওয়ার সময় রাজকীয় ভাবে যায় এবং রাজকীয় জীবনযাপন করে। এখানে বেনিফিট ক্লেইম করে লো ইনকাম দেখায় এবং বিভিন্ন ধরনের চালাকি করে, যেটা ব্রিটিশ সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।সেজন্য ব্রিটিশ সরকার এখন থেকে তাদের ইনকাম ট্র্যাকার করবে। তাদেরকে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি করে ফেলেছে। তাই যারা ইনকাম গোপন করে তাদের জন্য কঠিন সময় এসেছে।এখন থেকে সরকারকে ফাঁকি দেয়া এত সহজ হবে না। কারণ সরকার এই চালাকি বুঝে গেছে যে মানুষ নো/লো ইনকাম দেখিয়ে বেনিফিট নেই এর আড়ালে ক্যাশ হ্যান্ড জব করে। সেজন্য ব্রিটিশ সরকার এখন নতুন নিয়ম করছে, যে যারা লো ইনকাম বেনিফিট করবে, ক্লেম করবে তাদের সোশ্যাল জীবনযাপন এবং তারা কোথায় যায় কি করে সমস্ত কিছু তারা ট্র্যাক করবে। যদি কেউ সেই ট্র্যাক এর মধ্যে ধরা পড়ে, তাহলে তাকে তার সমস্ত বেনিফিট ফেরত দিতে হবে এবং তাদের জীবন নরকের মত হয়ে যাবে।কারণ সরকারকে ফাঁকি দেয়া আর এত সহজ হবে না। তারা ভেবেছিল যে এভাবে চালাকি করে তাদের জীবন চলে যাবে! কিন্তু সরকার তা বুঝে গেছি।

মানুষ এত বেহায়া যে ক্ষমতা, শক্তি থাকতেও বেনিফিট খাওয়ার জন্য মরিয়া!আসলে দোষ আমাদেরই বিনা পয়সায় পেলে কষ্ট করার দরকার কি? এটা যেন জেনেটিক ভাবে শিক্ষা! সেজন্য এখন সরকারও বুঝে গেছে যে কি করতে হবে? আর এর মধ্যে আমাদের কমিটির মানুষ ইমিগ্রেশনে ঢুকে পড়েছে এবং তারা জানে কাকে কখন কিভাবে কোন অবস্থায় কি ট্রিটমেন্ট প্রয়োজন! সেজন্য তারা সেভাবেই ট্রিটমেন্ট করবে। তাই আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে না হয় জেল জরিমানা এবং অথবা এর চেয়ে বড় কোন পানিশমেন্ট এর জন্য অপেক্ষা করুন।


আমাদের কমিউনিটির মানুষগুলো এত চালাক, এতো চতুর তাদের গুটিকয়েক মানুষের অপকর্মের জন্য গোটা কমিউনিটিকে সেটার খেসারত দিতে হচ্ছে। কিছু মানুষের অপকর্মের জন্য পুরো কমিউনিটির মানুষকে বড় মূল্য দিতে হবে।

এর কারনে যারা সত্যিকারের ভুক্তভোগী তারা এখন কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে। তাই সবাইকে সতর্কভাবে জীবন যাপন করতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে যেন নিজের দ্বারা অন্যের কোন ক্ষতি না হয়।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © ২০২৬ বাংলা মিরর | সম্পাদক : মোঃ খায়রুল ইসলাম সাব্বির