এলাকাবাসী ও অভিযোগসূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ২নং রিচি ইউনিয়নের কালনী পুরাতন জামে মসজিদ টি ১৯৭০ সালে ১৩ শতক জায়গার উপর নির্মান করা হয় ( যার জেএল,নং ৭০ এসএ – ১৬৫০ আরএস- ২২৭৯) মসজিদ প্রতিষ্টার পর থেকে দীর্ঘ ৫৫ বছর যাবদ গ্রামের মুসল্লিরা একত্রে নামাজ আদায় করে আসছেন।
পর্যায়ক্রমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে মসজিদের পুরাতন ভবনে মুসল্লীদের জায়গার সংকুলান না হওয়ায় এলাকাবাসী মিলেমিশে বিগত ৮-১০ বছর পূর্বে পুরাতন ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ করেন।
মসজিদের মুসল্লিদের অজু করার সুবিধার্থে মসজিদের সামনে ১টি অজুখানাও নির্মাণ করা হয়। অজুখানা টি মসজিদের বাহিরে হওয়ার ফলে বর্ষার মৌসুমে মুসুল্লিদের কে বৃষ্টিতে ভিজে অজু করতে হয়।
মসজিদের মুসল্লীদের কষ্ট লাগবের লক্ষে আঃ কাদির নামে একজন দানশীল ব্যাক্তি দুই বান ঢেউটিন প্রদান করেন। এতে সর্বসম্মতিক্রমে ওযু খানাটিতে ঢেউটিন লাগাতে চতুর্দিকে অ্যাঙ্গেল ফিটিং করার পর টিন লাগানোর মুহূর্তে মেম্বার সাস্তুু মিয়া ক্ষমতার অপব্যবহার করে জোরপূর্বকভাবে বাধা প্রদান করেন, এবং তার মারমুখী আচরণে ও সাবেক এমপি আবু জাহিরের আশ্রয় প্রশ্রয়ে থাকার কারণে কাজটি অর্ধেক বাকি রেখে মুসল্লীরা ভয়ে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হন, ফলে অ্যাঙ্গেল গুলোতে জং ধরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, এভাবে পরে থাকে দীর্ঘদিন।
বিগত ২৩ নভেম্বর মসজিদের সভাপতি কাজি ফরিদ মিয়া মসজিদের মুসল্লীদের সাথে নিয়ে কাজ শুরু করিলে পুনরায় জোর পূর্বক বাধা প্রদান করেন সাস্তুু মেম্বার, এতে মসজিদের মুসল্লীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এতে যেকোন সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত দূর্ঘটনা, শুধু তাই নয় বিগত আওয়ামীগ সরকারের আমলে এমপি আবু জাহিরের চত্রছাঁয়ায় মসজিদের কয়েকটি জলাশয় জবরদখল করে দীর্ঘদিন যাবত মাছ চাষ করে মসজিদের সম্পত্তি হরণ করে আসছেন, তার এলাকায় রয়েছে একচ্ছত্র আধিপত্য, এলাকার লোকজন তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে তার বাহিনী দিয়ে নানান ভাবে ভয়ভীতি প্রদান করা হয় । এতে এলাকার লোকজন তার বিরুদ্ধে ভয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস করে নাই, তাছাড়া তার বিরুদ্ধে রয়েছে সরকারি বিভিন্ন প্রজেক্টের টাকা আত্মসাৎ যা স্হানীয় পত্রিকায় বিগত দিনে প্রকাশিত হয়েছে, এদিকে মসজিদের উপরোক্ত বিষয়ে উপায়ান্তর না পেয়ে মসজিদ কমিটির পক্ষে সভাপতি কাজি ফরিদ মিয়া হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয় জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রঞ্জন চন্দ্র দে জানান, অভিযোগ টি হাতে পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মেম্বার সাস্তুু মিয়ার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করিলে তার ব্যবহৃত মোবাইল টি বন্ধ পাওয়া যায়।