Connect with us

দূর্নীতি

হবিগঞ্জে ভিসার নামে প্রতারণা

| ফয়সালের খপ্পরে পরে নিঃস্ব অনেক নিরিহ পরিবার

Published

on

ছবি | কথিত ভিসা ব্যবসায়ী ফয়সাল এবং তার প্রতিষ্ঠান

বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে হবিগঞ্জে এক নিরীহ পরিবারের কাছ থেকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এক কথিত ভিসা ব্যবসায়ী ফয়সাল খান।

প্রতারণার শিকার পরিবার এখন সুবিচারের আশায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কগ-১ আদালত, হবিগঞ্জ-এ মামলা দায়ের হয়। মামলাটি দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০, ৫০৬(২) এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩ এর ৩১ ধারা অনুযায়ী।

ভুক্তভোগী কামরুজ্জামান পাবেল জানান, তার আত্মীয় রুমানা খাতুন ও তার স্বামীকে ফিনল্যান্ড পাঠানোর লক্ষ্যে ভারতীয় ভিসার প্রয়োজন দেখা দিলে, পরিচিত সূত্র ধরে তারা যান হবিগঞ্জ শহরের ২নং পুল এলাকায় অবস্থিত “জি.এম. ভিসা কনসালটেন্সি” অফিসে। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার জি.এম. ফয়সাল খান শুরুতে বিশ্বস্ততার সঙ্গে কথা বলে ২.৫ লক্ষ টাকার একটি প্যাকেজ দেন যেখানে ভারত যাওয়ার ভিসা থেকে শুরু করে বিদেশে পৌঁছানো পর্যন্ত সবকিছু সামলানোর প্রতিশ্রুতি ছিল।

ছবি | ফয়সালের ব্যাংকা একাউন্টে টাকা জমা দেয়ার রশিদ।

প্রথমে নগদ ৫০ হাজার টাকা, পরে ১ লক্ষ টাকা সরাসরি এবং অবশেষে ১ লক্ষ টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে (Dutch Bangla Bank)  একাউন্ট, লেনদেন নম্বর: (৩৬০৯৯২৬০৬) পরিশোধ করেন পাবেল।

কিন্তু কথা অনুযায়ী ১১ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরও ভিসা তো দূরের কথা, কোন কাগজপত্রই আর দেখাতে পারেনি ফয়সাল।

অভিযোগে আরও জানা যায়, টাকা ফেরতের কথা বলতেই বদলে যায় কথিত ভিসা ব্যবসায়ী ফয়সালের ভাষা। সরল মনে বিশ্বাস করা পাবেল ও তার আত্মীয়দের গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেয় অফিস থেকে এবং হুমকি দেয়, “বাড়াবাড়ি করলে খারাপ পরিণতি হবে।”

স্থানীয়দের মতে, হবিগঞ্জ শহরে কিছু কথিত “ভিসা কনসালটেন্সি” অফিস দীর্ঘদিন ধরে এমন প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি ছাড়া সাধারণ মানুষের এভাবে প্রতারিত হওয়া বন্ধ হবে না।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কথিত ভিসা ব্যবসায়ী ফয়সালের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

স্বত্ব © ২০২৬ বাংলা মিরর | সম্পাদক : মোঃ খায়রুল ইসলাম সাব্বির