হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বুল্লাবাজার অস্থায়ী টমটম স্টেশন টু মনতৈল, করাব, হোসেনপুর গামী ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক(টমটম) মিশু চালকের নিকট থেকে হযরত শাহ্ বায়েজিদ (রহঃ) টমটম, মিশু পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতি, বুল্লা বাজার- নামক একটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অবৈধভাবে লাল, সবুজ, হলুদ রং বেষ্টিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার নামক একটি লগো, রাস্তা ব্যাবহারের পাকিং কার্ড নামক কার্ডে ব্যাহার করে গাড়ি প্রতি ১৫০-২০০ টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে তারা, এনিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে।
বুল্লাবাজার সড়কে সরকারি লগে যুক্ত ” রাস্তা ব্যাবহারের পাকিং কার্ড” মিশু ও ইজিবাইকে ঝুলতে দেখা যায়। যাহার গাড়ী নং- ০-০০২৪, ও ০-০০৫৪।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক ইজিবাইক চালক বলেন, কিছুদিন আগে সমিতির নেতৃবৃন্দরা বলছেন, রাস্তা ব্যাবহারের পার্কিং কার্ড ছাড়া কোনো গাড়ি চলতে দেয়া হবে না, যারা দুই দিনের ভেতরে কার্ড নিবেন না তাদেরকে ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। পরে বাধ্য হয়ে গাড়ি প্রতি ১৫০ টাকা করে দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করতে হচ্ছে। আর বছর খানেক আগে আমরা স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এর নিকট থেকে গাড়ির নাম্বার প্লেট বাবদ ২১- ২২ শত টাকা বাবদ গাড়ির নাম্বার প্লেট নিয়েছিলাম, তবে সে প্লেট কাজে লাগে নি, গণহারে সবাই চালাচ্ছে, এখন প্রশ্ন হল চেয়ারম্যান সাহেবের দেওয়া নাম্বার প্লেট থাকতে, নতুন করে নাম্বার প্লেট নিতে হবে কেন, আমারা এর প্রতিকার চাই।
সরকারি লঘু ব্যাবহার ও টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করে অত্র সংগঠনটির সভাপতি খলিলুর রহমান বলেন, সংগঠনের নেতারা রাস্তা ব্যাববহারের পার্কিং কার্ড প্রতি ১৫০ টাকা নির্ধারন করছে, সে মোতাবেক টাকা নেয়া হচ্ছে, আর এ সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ নেতা জুয়েল রানা এবং বাজার কমিটির নেতা রাজিব প্রমুখ সরকারের লঘুটি যুক্ত করেছে, আমি করে নি।
সরকারের কোন অধিদপ্তর থেকে রাস্তা ব্যাবহারে পার্কিং কার্ড নামে চালকদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন ও সরকারি লঘু ব্যাবহারের অনুমতি নিয়েছেন? বলে এ প্রতিবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুয়েল রানাকে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন কোনো অধিদপ্তর থেকে অনুমতি নেই নি, র সরকারি লঘু ব্যাবহারে কোনো সমস্যা মনে হলে কার্ড থেকে লঘু মুছে ফেলা হবে।
লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা সুলতানা বলেন, আমি ব্যাবস্থা নিচ্ছ।