নবীগঞ্জের কালিয়ার ভাঙ্গায় ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মাওলানা মোঃ অলি রহমান (৩০) নামের এক যুবককে বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
গত (২৪ জানুয়ারি ) সকাল ৬ টা ৩০ ঘটিকার দিকে উপজেলার কালিয়ার ভাঙা ইউনিয়নের মান্দার কান্দি গ্রামের পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের ইমাম এর রুমে এ ঘটনা ঘটে।
ধর্ষণের চেষ্টাকারী একই গ্রামের আব্দুস সহিদ ওরফে চিনি মিয়ার ছেলে মাওলানা মোঃ অলি রহমান । ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের সদস্য ও গ্রামবাসী জানায়, প্রতিদিনের মত শিশুকে ধর্মীয় শিক্ষা আরবি পড়ায় ঐ শিক্ষক।
সে বানিয়াচং উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়নের কদুপুরে একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেছে। শিশুর পরিবার জানায়, স্থানীয় ঐ হুজুর শিশুটির মায়ের ফোনে ২৩ তারিখ রাতে ফোন করে বলে শিশু মেয়ে দুজন যেন সকাল বেলা তার বাড়িতে মেয়েটির জন্ম নিবন্ধন নিয়ে আসে তাদের নাম একটি কেরাত প্রতিযোগীতায় দেওয়া হবে।
শিশু মেয়েটি তার আপন চাচাতো বোন কে নিয়ে ২৪ তারিখ সকালে হুজুর এর বাড়িতে গেলে এ সময় হুজুর তার বাড়িতে না নিয়ে মান্দার কান্দি পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের ইমাম এর রুমে নিয়ে যায় এসময় রিমি বেগম নামের শিশু (১১) সে তার জন্ম নিবন্ধন নিতে ভুলে যায়, তাকে হুজুর জন্ম নিবন্ধন বাড়ি থেকে নিয়ে আসার জন্য শিশুটিকে বাড়িতে পাঠায়।
ওপর শিশুটি কে কেউ না থাকার সুযোগে ঐ সময় হুজুর শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে বাড়িতে থেকে আসা শিশু মেয়েটি মসজিদে চলে আসে ঠিক ঐসময় তখন রিমি নামের মেয়েটি এসব দেখে ডাক চিৎকারে দিলে হুজুর থাকে চরথাপ্পর দিয়ে রুমের দেওয়ালে ধাক্কা দেয়।
পরে মেয়ে দু’টি নিজের পরিবারকে বিষটি অবগত করলে পরবর্তী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের পরেন শিশুটির পরিবার।
এ ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেন, কালিয়ার ভাঙা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন বাংলা মিররকে জানান, শিশুটির বাবা অভিযোগ দায়ের করেছেন। লম্পট ইমামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান তিনি।