Connect with us

দূর্নীতি

মহাসড়কের পাশে সেচ্ছাসেবক দল নেতার অবৈধ বালু ডিপো

Published

on

হবিগঞ্জের বাহুবল ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে  অবৈধ বালুর ডিপো তৈরি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জুয়েল মিয়ার নেতৃত্বে একটি চক্র। অনুমোদনহীন ডিপো স্থাপন করে বালু বাণিজ্য করে অল্পদিনেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে উঠেছেন ওই ব্যক্তি।  এতে করে একদিকে যেমন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। অপরদিকে মহাসড়কে বাড়ছে  বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা। বালু বোঝাই ট্রাক্টরের কারণে প্রায়ই মহাসড়কে ঘটছে প্রানহানীর মতো ঘটনা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে বাহুবল উপজেলার হাফিজপুর এলাকায় স্তুপ করে রাখা হয়েছে বালু। এক্সকেভেটর দিয়ে বালু লোড করা হচ্ছে বড় ট্রাকে। মহাসড়কের পাশে এসব বালুর স্তুপ থেকে বাতাসে বাল উড়ে গিয়ে চালকদের চোখে পড়ছে। এতে করে তৈরি হচ্ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এসব বালু মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন নদী এবং ছড়া থেকে উত্তোলন করে ট্রাক্টর যুগে এনে স্তুপ করে রাখা হয় মহাসড়কের পাশে। পরবর্তীতে সেখান থেকে রাতে ও দিনে বড় ট্রাক যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়। আর এসব বালু পাচার কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাহুবল উপজেলার পশ্চিম জয়পুর গ্রামের জুয়েল মিয়া নামে এক ব্যক্তি। সে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালুর ডিপু তৈরি করে প্রশাসনের নাকের ডগায় ব্যবসা চালিয়ে গেলেও নেওয়া হচ্ছে কোন ব্যবস্থা । এনিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মন্নান জানান, এখানে দীর্ঘদিন ধরে বালু রেখে ব্যবসা করা হচ্ছে। প্রশাসন এক দুইবার মোবাইল কোর্টে জরিমানা করলেও স্থায়ী ভাবে বন্ধ করতে কোন উদ্যোগ নেয়নি।
সিএনজি চালক নুরুদ্দিন বলেন, মিরপুর-শায়েস্তাগঞ্জ রোডে আমরা সিএনজি চালাই। আসা যাওয়ার পথে এখানে আসলেই চোখে প্রচুর বালু ঢুকে। এর কারণে আমাদের অনেক সমস্যায় পড়তে হয়।
অবৈধ বালুর ডিপুর মালিক জুয়েল মিয়া বলেন,  তিনি মৌলভীবাজার জেলা থেকে বালু এনে  বিভিন্ন কোম্পানিতে বিক্রি করেন বলে দাবী করেন। ডিপুর অনুমোদন আছে কি না? এমন প্রশ্নের কোন জবাব দেননি তিনি।  
মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবৈধ বালু ডিপু অপসারণ এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ত দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

স্বত্ব © ২০২৬ বাংলা মিরর | সম্পাদক : মোঃ খায়রুল ইসলাম সাব্বির