হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে সংযোগ লাইনে বিঘ্ন ঘটায় গত ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে উপজেলার ১৫ গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহ, এতে জনজীবনে নেমে আসে স্থবিরতা।
জানাযায় গত রবিবার (৫মে) কালবৈশাখীর তাণ্ডবে উপজেলার প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামের ২শ’র বেশি ঘরবাড়ি, শতশত গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তার পাশাপাশি এসব গ্রামের কিছু বৈদ্যুতিক তার ছেড়ার পাশাপাশি, খুঁটি ভেঙে গেলে বিদ্যুৎ-সংযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন বিদ্যুৎ লাইন সচল করার কাজ শুরু করলে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিদ্যুৎ আসলেও উপজেলার সুবিদপুর, লক্ষীপুর, হরিণাকোনা, আগাপুর,কাটাইয়া, চন্ডীপুর, বেগুনাই মাদনা, ফুলবাড়িয়া মোড়াকরি পূর্বগ্রাম, শিবপুর, কামালপুর, লখনাউক,মশাদিয়া সহ প্রায়১৫ টি গ্রামে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে১০ টায় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পৌঁছায়নি বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ বিহীন অন্ধকারে দিন যাপন করতে হয়েছে।এদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় এসব এলাকায় রেফ্রিজারেটরে রাখা খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে গেছে।
মোবাইলে চার্জ না থাকায় ফোন বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে স্বাভাবিক যোগাযোগে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। কিছু মুঠোফোন অন্যগ্রাম থেকে চার্জ দিয়ে নিয়ে আসলেও নেটওয়ার্ক সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
জিমেল হৌসাইন সালমান নামে একজন বলেন, গুনিপুর বিদ্যুৎ আসলেও হরিনাকোনা আগাপুর এখনো অন্ধকারে। গুনিপুর এ একটি ফিউজ রয়েছে যেটার মাধ্যমে হরিনাকোনা ও আগাপুর বিদুৎ স্থানান্তরিত হয়, এইটা অনেক সময় পুড়ে গেলে অইদিন আর বিদুৎ কর্মীরা ফিউজ লাগাতে আসেন না পরের দিন আসে।
লাখাই উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস এর ডিজিএম আসাদুজ্জামান বলেন, ঝড়ে বিভিন্ন এলাকার বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে/পড়ে গেছে। গাছপালা ভেঙে তারের ওপর পড়ায় তা অপসারণ করে বিদ্যুতের লাইন সচল করার চেষ্টা চলছে। তিনি দাবি করেন, ৯০ ভাগ এলাকায় বিদ্যুতের লাইন সচল হয়েছে। শিগ্রই অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুতের লাইন সচল হবে।