Connect with us

অর্থনীতি

সঞ্চয়পত্র কিনতে যা যা লাগবে

Published

on

শেয়ারবাজারের অবস্থা আশাব্যঞ্জক নয়। ব্যাংকের আমানতেও (এফডিআর) প্রত্যাশা অনুযায়ী মুনাফা মিলছে না। ফলে এখনও অনেকের কাছে বিনিয়োগের পছন্দের নাম সঞ্চয়পত্র। যেখানে অর্থ থাকে ‘নিরাপদ’, মুনাফা পাওয়া যায় বেশি। তাই ঝামেলামুক্ত বিনিয়োগের জন্য জাতীয় সঞ্চয়পত্রকে বেছে নেন সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন স্কিমে সঞ্চয়পত্র ভেদে মুনাফার হারে আছে তারতম্য। তবে বেশি মুনাফা পাওয়া যায় এমন স্কিমে বিনিয়োগকারীদের বেশি আগ্রহ।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরে বর্তমানে ১১টি সঞ্চয় স্কিম চালু আছে। এগুলোর মধ্যে ৪টি সঞ্চয়পত্র, ২টি ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক হিসাব, ১টি প্রাইজবন্ড, ১টি ডাক জীবনবিমা এবং ৩টি প্রবাসীদের জন্য বন্ড। তবে সব কর্মসূচিতে বিনিয়োগের বিপরীতে সুদ বা মুনাফার হার এক নয়। সুদের ওপর কর হার ভিন্ন ভিন্ন।

দেশে চার ধরনের সঞ্চয়পত্রের মধ্যে রয়েছে- ১. পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র; ২. তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র; ৩. পরিবার সঞ্চয়পত্র ও ৪. পেনশনার সঞ্চয়পত্র।

পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ ৫ বছর। সঞ্চয়পত্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুনাফা পাওয়া যায় পেনশনার সঞ্চয়পত্রে। যার হার ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফা মাসিক ও ত্রৈমাসিক উভয় ভিত্তিতে তোলা যায়। এ সঞ্চয়পত্রে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের বিপরীতে অর্জিত মুনাফার ওপর উৎসে কোনো কর কাটা হয় না। এর বেশি বিনিয়োগের মুনাফার বিপরীতে উৎসে কর ১০ শতাংশ। একক নামে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে।

পেনশনার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন যারা- অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারী, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী, স্ত্রী এবং সন্তান।

গ্রাহকদের কাছে বেশি আকর্ষণীয় পাঁচ বছর মেয়াদি ‘পরিবার সঞ্চয়পত্র’। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় এই সঞ্চয়পত্রে। সরকার পেনশনারদের জন্য সবচেয়ে বেশি মুনাফা দিলেও এর পরই অবস্থানে পরিবার সঞ্চয়পত্র। মেয়াদ শেষে মুনাফা পাওয়া যায় ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ হারে। তবে বছরভিত্তিক মুনাফা ভাগ করা আছে। যেমন প্রথম বছর শেষে ৯ দশমিক ৫০, দ্বিতীয় বছর শেষে ১০, তৃতীয় বছর শেষে ১০ দশমিক ৫০ এবং চতুর্থ বছর শেষে ১১ শতাংশ। ১ লাখ টাকায় প্রতি মাসে মুনাফা ৯৬০ টাকা। উৎসে কর ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের বিপরীতে মুনাফার ওপর ৫ শতাংশ, এর বেশি বিনিয়োগের মুনাফার ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ। একক নামে সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা যায়। এছাড়া পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফা মাসিক কিস্তিতে তোলা যায়।

কারা কিনতে পারবেন- ১৮ বছরের বেশি যেকোন বাংলাদেশি মহিলা, যেকোন বাংলাদেশি শারীরিক প্রতিবন্ধী (পুরুষ ও মহিলা) এবং ৬৫ বা তার তদূর্ধ্ব যেকোনো বাংলাদেশি (পুরুষ ও মহিলা) নাগরিক।

পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে মেয়াদ পূর্তির আগে ভাঙালে মুনাফা ১ম বছর শেষে ৯ দশমিক ৩৫, ২য় বছর শেষে ৯ দশমিক ৮০, ৩য় বছর শেষে ১০ দশমিক ২৫ এবং ৪র্থ বছর শেষে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এ সঞ্চয়পত্রেও ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের বিপরীতে মুনাফার ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ, এর বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার ওপর উৎসে কর ১০ শতাংশ। বাংলাদেশি নাগরিক যে কেউ এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন। একক নামে ৩০ লাখ যুগ্ম-নামে ৬০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা যাবে। পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র শুধু সঞ্চয় অধিদপ্তর থেকে কেনা যাবে।

৩-মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। যেকোনো শ্রেণি-পেশার নাগরিক এটি কিনতে পারেন। এ সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ ৩ বছর। তবে মেয়াদ পূর্তির আগে ভাঙালে কিছু মুনাফার হার কম হবে। যেমন তিন বছর শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক শূন্য ৪, দুই বছর শেষে ১০ দশমিক ৫০ এবং এক বছর শেষে ১০ শতাংশ। ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে উৎসে কর ৫ শতাংশ, বিনিয়োগ এর ওপরে গেলেই উৎসে কর ১০ শতাংশ।

ক্রয় করতে পারবেন যারা– সব শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশি নাগরিক। অটিস্টিকদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/অন্য যেকোনো অটিস্টিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান (যাদের সঞ্চয়পত্রের মুনাফা অটিস্টিকদের সহায়তায় অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে) যা সংশ্লিষ্ট জেলা সমাজসেবা কার্যালয় কর্তৃক প্রত্যয়নকৃত।

প্রবাসীদের জন্য তিনটি বন্ড রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি মুনাফা মিলে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে। এর মুনাফার হার ১২ শতাংশ। পাঁচ বছর মেয়াদি এ বন্ডে ৬ মাস অন্তর মুনাফা তোলার সুযোগ রয়েছে।

ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডের মেয়াদ তিন বছর। এর মুনাফার হার ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রবাসীদের জন্য আরেকটি বন্ড রয়েছে, যার নাম ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড। এ বন্ডে বিনিয়োগে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। তবে তিনটি বন্ডের বিনিয়োগের বিপরীতে পাওয়া মুনাফা করমুক্ত রয়েছে।

এ ছাড়া ১০০ টাকার প্রাইজবন্ডের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রতি তিন মাস পরপর ড্র হয়। এর ওপর উৎসে কর ২০ শতাংশ।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের আওতায় দুটি স্কিম রয়েছে। একটি সাধারণ হিসাব, অন্যটি মেয়াদি হিসাব। দেশের সব শ্রেণি-পেশার বাংলাদেশি নাগরিকই এ দুই স্কিমে বিনিয়োগ করতে পারেন। সাধারণ হিসাবের ক্ষেত্রে মুনাফার সরল হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

মেয়াদি হিসাব তিন বছরের জন্য। এ হিসাবের মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে তিন বছরের মেয়াদ পূর্তির আগে ভাঙানোর ক্ষেত্রে এক বছরের জন্য মুনাফা ১০ দশমিক ২০ শতাংশ এবং দুই বছরের জন্য ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ। এ দুটির ক্ষেত্রেও ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের বিপরীতে পাওয়া সুদের ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ, এর বেশি বিনিয়োগের মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ।

ডাক জীবনবিমায় পলিসি দুই ধরনের। একটি আজীবন ও অন্যটি মেয়াদি। যেকোনো নাগরিক যেকোনো ডাকঘরে ‘ডাক জীবনবিমা’ পলিসি করতে পারেন। পলিসির কোনো ঊর্ধ্বসীমা নেই। আজীবন বিমার ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষে বছরে বোনাস পাওয়া যায় প্রতি লাখে ৪ হাজার ২০০ টাকা। আর মেয়াদি বিমার ক্ষেত্রে বছরে প্রতি লাখে পাওয়া যায় ৩ হাজার ৩০০ টাকা বোনাস। এ বোনাস করমুক্ত।

সব ধরনের সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য নির্দিষ্ট ফরম রয়েছে। ওয়েবসাইট  (nationalsavings.gov.bd) থেকে ডাউনলোড করেই এ ফরম পাওয়া যায়। সঞ্চয়পত্র কিনতে হলে গ্রাহকদের প্রথমে এ ফরম পূরণ করতে হয়, সঙ্গে দিতে হয় গ্রাহক ও নমিনির পাসপোর্ট আকারের দুই কপি করে ছবি। গ্রাহকের ছবি সত্যায়িত করবেন প্রথম শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে। আর নমিনির ছবির সত্যায়ন করবেন গ্রাহক নিজেই।

সঞ্চয়পত্র কেনার সময় গ্রাহক ও নমিনির জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি বাধ্যতামূলক। তবে নমিনি যদি নাবালক হয় তাহলে জন্মনিবন্ধনের কপি লাগবে। পাশাপাশি লাগবে গ্রাহকের নিজ ব্যাংক হিসাবের চেকের কপি, যে অ্যাকাউন্টে গ্রাহকের মুনাফা ও আসল টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা হবে, ওই হিসাবের নম্বর দিতে হবে। পেনশনার সঞ্চয়পত্র কেনার ক্ষেত্রে বাড়তি কাগজ হিসেবে লাগে সর্বশেষ নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সনদ।

সাম্প্রতিক সময়ে বেশ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ ও এর ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে সরকার। কারণ সাধারণ মানুষের কাছে সঞ্চয়পত্র ক্রয় বিনিয়োগ হলেও সরকারের কাছে এটি ঋণ। এজন্য বিনিয়োগকারীদের নির্দিষ্ট পরিমাণ মুনাফা পরিশোধ করতে হয়। তাই সঞ্চয়পত্রে নানা শর্ত দিয়েছে সরকার।  

সঞ্চয়পত্রে শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে— এখন পাঁচ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে হলে গ্রাহকের বাধ্যতামূলক আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হয়। ২০২২ সালের জুলাই মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক সার্কুলার জারি করে জানায়, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে সঞ্চয়পত্র ও ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক হিসাবে পাঁচ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থ আইন, ২০২২-এর ৪৮ ধারা যথাযথ পরিপালনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ছাড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা টাকা ১০ লাখ অতিক্রম করলেও রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র দিতে হবে ব্যাংকে। এ কারণে একশ্রেণির গ্রাহক সঞ্চয়পত্র বিমুখ হচ্ছেন।

এছাড়া চলতি অর্থবছরের বাজেটে দুই লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র বা পোস্টাল সেভিংস কিনতে হলে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নতুন নিয়মে একক নামে ৫০ লাখ এবং যৌথ নামে ১ কোটি টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কেনা যাবে না। গ্রাহক পেনশনার হলে একক নামে এক কোটি এবং যৌথ নামে দেড় কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র কিনতে পারবেন।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জাতীয়6 days ago

হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের নয়া কমিটিশোয়েব সভাপতি, সেলিম সম্পাদক

হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক দেশ রূপান্তরের জেলা প্রতিনিধি শোয়েব চৌধুরীকে সভাপতি ও স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুর রউফ...

জাতীয়7 days ago

সশস্ত্র বাহিনী ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ দেশকে পরাস্ত করতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

সশস্ত্র বাহিনী যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে বাংলাদেশকে কখনো কেউ পরাস্ত করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ...

জাতীয়7 days ago

সিলেটে চালু হলো ‘কৃষকের হাট’, কম দামে মিলবে পণ্য

সিন্ডিকেট ব্যবস্থা ভাঙতে দেশে প্রথমবারের মতো সরকারি ব্যবস্থাপনায় সিলেটে চালু হলো ‘কৃষকের হাট’। জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের উদ্যোগে...

জাতীয়1 week ago

মাধবপুরে ফুটপাত দখল করে রমরমা বাণিজ্য: জনদুর্ভোগ চরমে, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

​মাধবপুর পৌরসভার জনবহুল বাসস্ট্যান্ড এলাকার প্রধান বাজারে প্রবেশের একমাত্র ফুটপাতটি এখন প্রভাবশালী ও স্বার্থান্বেষী মহলের দখলে। সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ...

দূর্নীতি2 weeks ago

বন কর্মকর্তা তোফায়েলের রামরাজত্ব

| সাবেক উপদেষ্টার আত্মীয় পরিচয়ে

জাতীয়2 weeks ago

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কলিমনগর এলাকার ত্রাস,জলফু, আক্কাছ ও ইউনুসের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কলিমনগর এলাকায় জলফু মিয়া, আক্কাছ মিয়া ও ইউনুস আলী নামের তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের...

জাতীয়2 weeks ago

মন্ত্রী আসবেন, তাই জোড়াতালি দিয়ে রাস্তার সংস্কার চলছে

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে আগামীকাল শনিবার (৩ এপ্রিল) হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানে একাধিক মন্ত্রীর সম্ভাব্য আগমন ঘিরে চলছে...

জাতীয়2 weeks ago

দুই নারী এমপিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের বিচার চাইলেন রুমিন ফারহানা

দুই নারী সংসদ সদস্যকে নিয়ে একজন পুরুষ এমপির (আমির হামজা) ওয়াজ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিচার চেয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ...

জাতীয়2 weeks ago

এলপিজির সরকারি দাম ১৭০০, বিক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে ১৯০০তে

এপ্রিল মাসের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে। তবে বাজারে এই...

জাতীয়2 weeks ago

বাহুবলে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ছাদে অবৈধ স্থাপনা, প্রশাসনের ৭ দিনের আল্টিমেটাম

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার হামিদনগর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মিত সরকারি কমপ্লেক্স ভবনের ছাদে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের...

Exit mobile version