এ ব্যাপারে মুঠোফোনে জানতে চাইলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ার মাহমুদ উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘আমাকে আপনি এসব কথা বলছেন কেন! আমি কোনো সাংবাদিককে এভাবে বক্তব্য দেইনা।’
জেলা নির্বাচন অফিসের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সচেতন ব্যক্তিরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রতিবাদ গড়ে তুলেছেন। মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘তিনি (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা) সাধারণ মানুষের সাথে কোন ভালো আচরণ করেন না।’
একেএম সজল লিখেছেন, ‘দুই বছর নির্বাচন অফিসে ঘুরেছি। কাজ হয়নি। পরে দালাল ধরে কাজ করিয়েছি।’
রিপন নামের একজন লিখেছেন, ‘তারা হাদিয়া পায়, কাজ করে। যখন দুদক হানা দেয়, তখন আমরা জনগণ জানতে পারি।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নির্বাচন অফিসের এক কর্মচারী বলেন, ‘স্যারের ব্যবহার খুব একটা ভালো না। আবার কাজগুলোও ঝুলিয়ে রাখেন। ফলে দালালের দ্বারস্থ হন সাধারণ মানুষ।’
জেলার দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা রুবেল মিয়া জানান, এনআইডি সংশোধনের জন্য বেশ কিছুদিন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে গিয়েছি। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।