Connect with us

মতামত

স্বপ্ন দুঃস্বপ্ন ও অজানা ভবিষ্যৎ

Published

on

বর্তমান সমাজের বেশির ভাগই মানুষ তাদের নিজের স্বার্থ ছাড়া কোন কিছু করতে আগ্রহী নয়।যেখানে “মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য” কঠিন স্লোগান! কিন্তু আজ বেশিরভাগই মানুষ সেটার বিপরীতে অবস্থান করছে এবং এর ফল অনুযায়ী আমাদের সমাজব্যবস্থা দিন দিন অবক্ষয়ের দিকে যাচ্ছে। লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, স্বভাবতই যে মানুষের শিক্ষাগত যত যোগ্যতা কম তার তার লজ্জা ও কম হয়ে থাকে কিন্তু চেয়ারটা তার বড চাই! (সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়) এবং এখানে কিছু মানুষর পারিবারিক শিক্ষার অভাব রয়েছে।

দেশের বেশিরভাগ স্থানগুলো দখল করে আছে এ ধরনের কম শিক্ষিত মানুষ গুলো।উদাহরণস্বরূপ দেখা যায় রাজনীতিতেও যদি একটা অশিক্ষিত মানুষ খুব বেশি করে চেঁচাতে পারে নেতার কাছে তার কদর বেশি।আর শিক্ষিত ভদ্র মানুষ চুপচাপ থাকে বা ভদ্র থাকে। তখন কম শিক্ষিত মানুষ তাড়াতাড়ি প্রমোশন হয়।
জলন্ত উদাহরণ হিসেবে আপনি সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখুন! কম শিক্ষিত নির্লজ্জ কিছু মানুষ আজকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আপনাদেরকে ব্যবহার করে অনেক টাকা কামাচ্ছে।

সমাজের এমন অবস্থা হয়েছে যে একজন ডিগ্রী পাস অথবা মাস্টার্স পাস এর চাকরির জন্য একজন পঞ্চম শ্রেণি পাস মানুষের সুপারিশ লাগে।তাছাড়া কোন কিছুই যেন সম্ভব হচ্ছে না। এখানেই আমাদের যত ব্যর্থতা।অবশ্যই আমাদের রাজনীতিবিদদের এর দায় নিতেই হবে।

সময়ের প্রয়োজনে মানুষ অনেক কিছু করে, করতে পারে এবং অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে। যখন তাদের স্বার্থ ফুরিয়ে যায় তখন তাদের চেহারা, তাদের ব্যবহার বদলে যায়। এরকম মানুষের সংখ্যা আমাদের সমাজে নিহাত কম নয়।

আরো দেখুন : ব্রিটেনে ইমিগ্রান্টদের জন্য দুঃসংবাদ


একটা জাতি হিসেবে আমাদের যেরকম হওয়ার কথা ছিল সোনার বাংলায়। আমরা সেভাবে হয়ে উঠতে পারিনি। সেজন্য, যখন একটি মানুষ দেশ থেকে ভিন্ন দেশে যায় এবং অন্য দেশের মানুষের আচার ব্যবহারে মুগ্ধ হয় তখন অবাক হয়।যেটা হওয়ার কথা আমাদের নিজেদেরই! কিন্তু দুঃখের বিষয় তার বিন্দুমাত্র আমাদের মধ্যে উপস্থিত নেই।একটা সন্তান ছোটবেলা থেকেই বেড়ে উঠে হিংসার মাধ্যমে! তাকে তার প্রতিবেশীর সাথে মিশতে দেয় না, প্রতিবেশীকে অবহেলা করা অথবা ভাইয়ে ভাইয়ে দ্বন্দ্ব, ঝগড়া।এসব হিংসার মধ্যে যদি একটি সন্তান বেড়ে ওঠে। তখন সেতো সেটাই শিখবে। এইতো সেদিন এক নিকট আত্মীয় গিয়েছিল পার্শ্ববর্তী দেশে চিকিৎসা করাতে এবং চিকিৎসকের সময় জ্ঞান কেয়ারিং রোগিকে সময় দেয়া দেখে সে খুবই মুগ্ধ এবং বিমোহিত। যেখানে নিজ দেশের বেশিরভাগ ডাক্তাররা রোগীকে সময় দেন খুবই কম। রোগী দেখার আগেই অযথা কমিশন খাওয়ার জন্য ব্যস্ত থাকে। অযথা টেস্ট ধরিয়ে দেন। সেখানে মানুষ দিন দিন বিদেশের দিকে চিকিৎসার জন্য ঝুকছ।

যাই হোক কোন দেশ বা সরকার কখনো চাইলে একা এসব সমস্যার সমাধান করতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা না চাইবো যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা নিজেরা ঠিক না হব।তাই এসব সমস্যা সমাধানের জন্য এবং এসব অবক্ষয় থেকে উত্তরণের জন্য জনগণকেই সাধারণ মানুষকে এবং সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। ভাবুন এবং সিদ্ধান্ত নিন আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কেমন সোনার বাংলা উপহার দিতে চান?

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © ২০২৬ বাংলা মিরর | সম্পাদক : মোঃ খায়রুল ইসলাম সাব্বির