Connect with us

জাতীয়

লাখাইয়ে জরাজীর্ণ ঘরে রাশিদার মানবেতর জীবনযাপন

Published

on

১৪ বছর আগে স্বামীকে হারিয়েছেন মোছাঃ রাশিদা বেগম (৪৩), পরে শুরু হয় তার দুঃখের গল্প। গেল কয়েক বছর পূর্বে জরাজীর্ণ ঘরটিতে ঘূর্ণিঝড়ে গাছ পড়ে ঘরটির বিভিন্ন অংশের টিন ভেঙে যায়। এতে ঘরটির ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হলেও হতদরিদ্র পরিবারটি পুনরায় ঘরটি আর মেরামত করতে পারেনি। কখনো পলিথিন কিংবা প্লাস্টিকের বস্তা মুড়িয়ে জোড়াতালি দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ঘরটিতেই অসহায় পরিবারটি মানবেতর দিনযাপন করছে। এক ছেলে ও এক ময়ে সন্তানকে নিয়ে রয়েছে রাশিদার ৩ সদস্যের সংসার। বৃষ্টি-বাতাসের আতঙ্কে ভাঙা ঘরে নির্ঘুম রাত কাটে তাদর, এই রাশিদা বেগম লাখাই উপজেলার বামৈ পশ্চিম গ্রামের মৃত মো.শাহিন মিয়ার স্ত্রী। ভোক্তভোগী রাশিদা বেগম জানান, এই ভিটাব্যাতিত আমার কোনো জায়গায় জমি নেই, সরকার মানুষদের ঘর দিল, জায়গা দিল আমাগো কিছু দেই নি, পাইনি কোনো সরকারি সহায়তা, আমি দর্জির কাজ করে আমার ৩সদস্যের সংসার চালাই কোনো রকম, দীর্ঘদিন যাবত এই জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করে আসছি, বৃষ্টি হলে ঘরে পানি প্রবেশ করে, এতে অনেক কষ্ট হয়। আমি এই ঘরটি পূনরায় সংস্কার করতে চাই, আমি সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তা চাই। জানাযায়, এই অসহায় নারীর একটি মেয়ে সন্তান স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছেন, আর ছেলে সন্তান জীবিকা নির্বাহের তাগিদে পড়াশুনা বাদ দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। এব্যাপারে লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা সুলতানার ব্যাবাহৃত মুঠোফোনে কল দিলে রিসিভ না করাই বক্তব্য নেওয়া যায় নি।পরে লাখাই উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার মোহাদ্দেস এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ভোক্তভোগী নারীকে বলেন আর্থিক সরকারি সহায়তা চেয়ে ইউএনও বরাবর আবেদন লিখে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে জমা দিতে। পরে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

স্বত্ব © ২০২৬ বাংলা মিরর | সম্পাদক : মোঃ খায়রুল ইসলাম সাব্বির