Connect with us

জাতীয়

অধরা যুবলীগ নেতা সাইফুল, থেমে নেই অপকর্ম

Published

on

শায়েস্তাগঞ্জ পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সরাসরি হামলায় জড়িত থেকেও এখন পর্যন্ত অধরা রয়েছেন । এমনকি অবৈধভাবে বালু-মাটি পাচার, সরকারি কাজে অনিয়মসহ নানান অপকর্ম করে যাচ্ছেন দেদারসে।
জানা যায়, যুবলীগ নেতা সাইফুল বছর দশক আগেও শায়েস্তাগঞ্জ দাউদ নগর বাজারে বিক্রি করতেন সবজি। যুবলীগে যোগদান করে কতিপয় ব্যক্তির টাকা আত্মসাৎ করে বনে যান মহালদার। দলীয় প্রভাব ও নানান অনিয়ম করে অল্প দিনে হয়ে উঠেন আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ। তিনি ট্রাক্টর, ড্রাম ট্রাক ও এক্সাভেটর সহ অর্ধডজন গাড়ির মালিকানার পাশাপাশি নামে বেনামে করেছেন অন্তত কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি। সম্প্রতি ডেভিল হান্ট থেকে বাচঁতে কিছুদিন গা ঢাকা দিলেও আবারো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে কতিপয় নেতা ও প্রশাসনের কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে গ্রেফতার এড়িয়ে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।  এ নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে জুলাই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে।
উল্লেখযোগ্য সূত্রে জানা যায়, তিনি শায়েস্তাগঞ্জের আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগকে একত্রিত করে সরকার বিরোধী বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন। নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন জেলা আওয়ামী লীগের পলাতক সভাপতি এডভোকেট আবু জহির, শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রশিদ তালুকদার ইকবাল সহ বিভিন্ন পলাতক নেতাকর্মীর সাথে। দলীয় কর্মসূচির নামে নাশকতামুলক কর্মকান্ডের পরিকল্পনাও করছেন তিনি।
সম্প্রতি ১৩ নভেম্বর ও ১৭ নভেম্বরের আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘিরে বরমপুর এলাকার ভিআইপি ব্রিকফিল্ড ও সদর উপজেলার গঙ্গানগর এলাকার ফারুক মিয়ার বাড়িতে ২ টি গোপন মিটিং এর সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করেছেন যুবলীগ নেতা সাইফুল। সেই মিটিংয়ে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে নাশকতার পরিকল্পনা করলেও প্রশাসনের তৎপরতায় ব্যস্তে যায় তাদের পরিকল্পনা।
তবে জুলাই বিপ্লবীদের ধারণা তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে না আসলে যে কোন সময় বড় ধরনের নাশকতা মূলক কর্মকান্ড সংগঠিত করতে পারে। কোন ধরনের নাশতকতা মূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর আগেই যুবলীগ নেতা সাইফুলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জোর দাবি জানিয়েছেন জুলাই বিপ্লবের অংশীজনরা ।

Exit mobile version