জরায়ুর ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে হবিগঞ্জ জেলায় চলতি বছর মোট ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৯৬ কিশোরীকে এইচপিভি টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ। যার মধ্যে পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া ১ লাখ ৯ হাজার ৪১৮ জন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে থাকা ১০ বছর থেকে ১৪ বছরের ৯ হাজার ৫৭৮ জন কিশোরীকে বিনামূল্যে এই টিকা দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা প্রদানের বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে একটি কর্মশালায় এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য বিভাগ।
কর্মশালায় জানানো হয়, আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হবে। জেলার ৯টি উপজেলা এবং দুইটি পৌরসভায় এই কার্যক্রম চলবে।
এর পাশাপাশি ১৫ থেকে ২৬ বছর বয়সী নারীদের এই টিকা গ্রহণের বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হবে। টিকা গ্রহণের মাধ্যমে এইচপিভি সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব, যা জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনে।
কর্মশালায় আরো জানানো হয়, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১১ হাজার নারী জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। যার মধ্যে প্রায় ৬ হাজারের মতো নারী মারা যান।
এতে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ নূরুল হক। এ সময় হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি রাসেল চৌধুরী, সাবেক সভাপতি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, প্রথম আলোর প্রতিনিধি হাফিজুর নিয়ন, একুশে টিভির এখলাছুর রহমান, একাত্তর টিভির শাকিল চৌধুরী, এটিএন বাংলার আব্দুল হালিম, আজকের হবিগঞ্জের আশরাফুল ইসলাম, সাংবাদিক শরীফ চৌধুরী, যায়যায়দিনের নূরুল হক, এখন টিভির কাজল সরকার ও দেশটিভির আমীর হামজাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।