Connect with us

সাহিত্য

রাজা : জালাল উদ্দিন

Published

on

সন্ধ্যা ৭ টা। চেম্বারে বসে আছি।রোগীর ভীড় কমে এসেছে।বিকাল ৩ টা থেকে রোগী দেখি আমি। শুধু টাকার পিছনে ছুটি না।সময় নিয়ে রোগী দেখি।রোগীর সাথে একধরনের সম্পর্ক তৈরী করি।গত একবছরে সেটা করতে পেরেছিও।এসব সাতপাঁচ ভাবছি এমন সময় হন্তদন্ত হয়ে সিস্টার ছুটে এসে বললেন,’স্যার জরুরী বিভাগে একজন ইমার্জেন্সি রোগী।তাড়াতাড়ি আসেন স্যার।আগেও বেশ কয়েকবার দেখেছি তাকে! আপনার কাছে অনেকবার এসেছেন স্যার।’

ইমার্জেন্সিতে রোগী আসলে আমি একমুহুর্ত সময়ও নষ্ট করি না।দ্রুত ছুটে যাই।যা যা করার করি।এটা আমার ব্যক্তিগত নর্ম। অনেক চিকিৎসক এমনটা করে থাকেন এমন অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়।হয়তো করেন।হয়তো বা করেন না।সত্যমিথ্যা জানি না।সাধারণত সংকটাপন্ন রোগীদেরই স্বজনেরা ইমার্জেন্সিতে নিয়ে আসেন।রোগীর অবস্থার উন্নতি না হলেই সাথে থাকা লোকজন ডাক্তারের অবহেলা,বিলম্বে আসা এমনসব অজুহাত তৈরী করেন।স্বজনদেরও দোষ দিয়ে লাভ নেই।তাদের মধ্যে তখনকার সংকট মুহুর্তে অতি আবেগ এবং উচ্ছাস কাজ করে।আর সংকট মুহুর্তও তো আর বলে কয়ে আসে না।

দ্রুত ছুটে গেলাম ইমার্জেন্সিতে।বেডে সটান হয়ে শুয়ে থাকা নিথর দেহের মানুষটি তো আমার চেনা।কতোবার দেখেছি তাকে।কতোবার কতো কথা হয়েছে সামনাসামনি। মোবাইলে।ডাক্তারের চোখে প্রথম দৃষ্টিতেই আমি বুঝে গেলাম লোকটা আর বেঁচে নেই!সাথের স্বজন পরিজনদের খানিকটা শান্তনা দিতেই স্টেথোস্কোপ কানে লাগিয়ে বুক পরীক্ষা করলাম,প্রেশারটাও চেক করে নিলাম।থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রাও দেখে নিলাম।তাপমাত্রার খুব একটা হেরফের হয় নি।মানুষের মৃত্যুর পরেও বেশ কিছু সময় শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকই থাকে।রোগীর সাথের লোকজন প্রাণপণে দোয়া দুরূদ পড়ছে।নিজের কাছে নিজেকেই কেমন যেন অসহায় লাগছিল আমার।পেশাদার ডাক্তার হিসাবে মোটেও এমনটা হওয়ার কথা নয়।আমিও সেটা জানি।কিন্তু যে লোকটা এখন আমার চোখের সামনে নিস্পন্দ শুয়ে আছে তার সাথে যে আমার অনেক স্মৃতি।সেসব স্মৃতি ভালোবাসার।আবেগ এবং শ্রদ্ধার।আবেগ সম্বরণ করে সাথে থাকা স্বজনদের জানিয়ে দিলাম হাসপাতালে আনার পথেই মৃত্যু হয়েছে তার।সবই আল্লাহর ইচ্ছা।সবাইকেই একদিন মরতে হবে।কেউ আগে কেউ পরে!এসব শান্তনা বাক্য উচ্চারণ করে তাদের সাহস দিয়ে চেম্বারে ফিরে এসে নিজের চেয়ারটায় বসলাম।দুচোখ গড়িয়ে টপটপ করে দুফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়লো আমার। দ্রুতই স্বাভাবিক হতে চেষ্টা করলাম। এ অবস্থায় কেউ দেখে ফেললে কি ভাববে!কিন্তু আমার মনে বয়ে চলা ঝড় যে কিছুতেই থামছে না।

ঝড়ের পরে আকাশ যেমন শান্ত স্থির হয়,আকাশে অনেক রঙ খেলা করে ঠিক তেমনই আমার মনও একটা সময় শান্ত স্থির হলো।আমার মনের আকাশেও অনেক রঙের খেলা শুরু হলো।অপেক্ষমান কোনো না থাকার পরেও বাসায় স্ত্রীকে ফোন করে জানিয়ে দিলাম ফিরতে দেরী হবে আজ।স্ত্রীও বিস্মিত হলেন এমন ফোন পেয়ে।সচরাচর এমন করি না বলেই তার বিস্ময়ের মাত্রাটা একটু বেশী। মনে পড়ে গেলো বছর তিনেক আগের কথা!

তিন বছর আগে কোরবানি ঈদের ৪/৫ দিন মাত্র বাকি।আমার কর্মস্থল থেকে নিজ জেলা ময়মনসিংহ ২শ ২৫  কিলোমিটার দূরের পথ।বাড়ীতে মা বাবা আছেন।আছেন ভাই বোন আত্মীয় স্বজন।বছরে দুএকবারের বেশী বাড়ী যাওয়া হয় না।চাইলেও যেতে পারি না।অনেক রমজানের ঈদ কর্মস্থলেই করেছি।তবে কোরবানির ঈদটা মিস করি না।বাবা মা’র সাথে তো মোবাইলে সবসময়ই যোগাযোগ রাখি।প্রতিদিন রুটিনমাফিক কথা বলি।নইলে মা রাগ করেন।বাবা কিছু বলেন না।তবে ভিতরে ভিতরে পুড়েন। তো যাই হউক বাড়ীতে কথাবার্তা বলে ঠিক হলো,ঈদের আগের দিন বাড়ী যাবো।থাকবো বেশ কয়েকদিন।বাবা কোরবানীর গরুও কিনে ফেলেছেন।এসব নিয়ে আমিও কোনো বাড়তি চাপ নেই না।বাবাই তো আছেন।স্কুল শিক্ষক বাবার অখন্ড অবসর কাটে এখন ধর্মকর্ম আর সমাজের মঙ্গল চিন্তা নিয়ে।কার ছেলে টাকার অভাবে কলেজে ভর্তি হতে পারছে না,কার মেয়ের ফরম ফিলাপের টাকা নেই,টাকার অভাবে কোন পিতার বিয়ের বয়সী মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না এসব আমার বাবার নখদর্পনে।সাধ্যমতো সহায়তা করতে চেষ্টা করেন।এসবে কোনো কার্পণ্য নেই বাবার। মাঝেমধ্যে আমাকেও ফোনে অমুকের অমুক সমস্যা,তমুকের তমুক সমস্যা জানিয়ে সহযোগীতা করতে বলেন।হাসিমুখে সাড়া দেই বাবার কথামতো।এই শিক্ষা বাবার কাছেই পেয়েছি।বাবাই শিখিয়েছেন,পারলে মানুষের উপকার করো।উপকার করতে না পারলে ক্ষতি করো না।

কোরবানির ঈদের দুইদিন বাকি আর।আমার মিসেস বাড়ী যাওয়ার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছেন।এখন শুধু কাউন্ট-ডাউন, ক্ষণ গণনার পালা কখন আমাদের নিয়ে ভাড়া করা মাইক্রোবাসটা ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করে!প্লানিং টা হচ্ছে সন্ধ্যায় রওয়ানা হবো আমরা।বড়জোর ঘন্টা পাঁচেকের পথ।

হঠাৎ তীব্র এপেন্ডিসাইটিসের ব্যাথায় বিষাদ ক্লান্ত একজন রোগীকে নিয়ে আসলেন তার স্বজনেরা।দ্রুতই অপারেশন করে এপেন্ডিক্সটা কেটে ফেলে দিতে হবে।নইলে রোগীর বড় ধরণের বিপদ হতে পারে।অত্যন্ত দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ করে রোগীকে ওটিতে নিয়ে গিয়ে অপারেশনটা করে ফেললাম।প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিলাম।রোগী ততক্ষণে ব্যাথামুক্ত। বিপদমুক্তও।রোগীকে কেবিনে নেওয়া হলো যথারীতি।

পরদিন বিকালে আমি ঈদের ছুটিতে দেশের বাড়ী চলে যাবো।হাসপাতালের অন্যান্য স্টাফরাও যারযার মতো করে ছুটিতে যেতে শুরু করে দিয়েছেন।সারা বছরের ব্যস্ততা আর কর্মক্লান্তি দূর করতে ঈদের ছুটিতে কয়েকটা দিন পরিবারের সাথে কাটিয়ে আবার রিভিগরাইজড হয়ে কর্মস্থলে এসে কর্তব্যকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়বেন এটাই তো স্বাভাবিক।পরদিন সকালে ডিউটিতে গিয়ে দেখি রোগীর পেট ফুলে ঢোল হয়ে আছে।সাথে থাকা স্বজনেরা চিন্তিত।হাসপাতালে বলতে গেলে কেউ নেই!খাঁখাঁ করা রোগী শুন্য হাসপাতালে এপেন্ডিক্স অপারেশনের এই রোগী তখন নতুন ঝুঁকিতে।আমিও কিংকর্তব্যবিমুঢ়।রোগীকে এনপিও করলাম।মুখের মাধ্যমে খাবার ঔষধ সব বন্ধ করে দিলাম।আমি অাশংকা করেছিলাম রোগীর প্যারালাইটিক আইলিয়াস।পটাশিয়াম চেক করার কথাও মাথায় রেখেছিলাম।সেই অনুযায়ী চিকিৎসা দিতে থাকলাম।রোগীর সাথে থাকা স্বজনেরা অধৈর্য্য। পরদিন ঈদ যে।

আমি সারাক্ষণ রোগীর পাশে বসে রইলাম।অবস্থার পরিবর্তন হতে সময় লাগলো।বাসায় ফোন করে জানালাম বাড়ী যাওয়া হচ্ছে না আমাদের!স্ত্রীর অব্যক্ত বেদনাটা উপলব্ধি করতে পারলাম।কিন্তু কিছুই করার ছিল না যে আর।সারারাত রোগীর সাথে কেবিনে কাটালাম।ভোররাতে রোগীর অবস্থার দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখে আমি স্বস্তি লাভ করলাম।রোগীর মুখেও হাসির ঝিলিক দেখতে পেলাম।রোগীকে রেখে সকালে তড়িঘড়ি বাসায় গেলাম।আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার স্ত্রীর সে কি কান্না।আমিও কেঁদে ফেললাম আবেগে।স্ত্রীকে সবকিছু বললাম।একটু পরেই টিফিন ক্যারিয়ারে করে স্ত্রীর হাতে রান্না করা সেমাই আর পায়েস নিয়ে হাসপাতালে ফিরে আসলাম।রোগীর অবস্থার আরোও উন্নতি হয়েছে ততক্ষণে। ঈদের পরদিন রোগীকে রিলিজ করে দিলাম।

এদিন সন্ধ্যায় স্ত্রীকে নিয়ে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে গেলাম।কয়েকদিন সেখানে কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরে এসে আবার আগের নিয়মে রোগী দেখা শুরু করলাম।একদিন দুপুরে সিস্টার এসে বললেন,’স্যার একজন মানুষ আপনার সাথে দেখা করতে চায়।’

–‘নিয়ে আসুন’

আরে এ যে দেখি রাজা মিয়া।যার চিকিৎসা করতে গিয়ে ঈদের আগে বাড়ী যাওয়া হয় নি আমার আর আমার স্ত্রীর।

–স্লামালেকুম স্যার।

–ওয়ালাইকুমুস সালাম।

–স্যার আমাকে চিনতে পারছেন স্যার।আপনে আমারে সেইদিন ঠিকমতো চিকিৎসা না করলে আমি মইরা যাইতাম স্যার।

-এভাবে বলতে নেই।সব আল্লাহর ইচ্ছা।আমি তো কেবল উসিলা।

–স্যার আপনেরে আমাগো বাড়ীত যাইতে হইবো স্যার।

–যাব একদিন সময় করে।

–সময় করে আবার কি স্যার?আইজই আমার লগে যাওন লাগবো।শুধু আপনে না স্যার।আপনের বিবিরেও নেওন লাগবো।আমার লাইগা কি না করছেন আপনে স্যার!

–বললাম তো যাবো একদিন সময় করে।

–স্যার বিশ্বাস করবাইন নি কইলে,আমি অখনো কোরবানির মাংস মুখে তুলি নাই।আপনে যদি না যান তয় আমার আর কোরবানির মাংস খাওয়া অইতো না।আমি ওয়াদা করছিলাম আপনেরে না খাওয়াইয়া আমি কোরবানির মাংস খাইতাম না স্যার।আগামী মঙ্গলবারে আমার ফ্লাইট।

–কোন দেশে থাকেন আপনি?

–স্যার,সৌদিতে থাকি স্যার।

পরদিন  রিকশায় চড়ে স্ত্রীকে নিয়ে ৮ কিলোমিটার দূরের রাজাপুর গ্রামে রাজা মিয়ার বাড়ী পৌঁছি।একসাথে বসে খাই আমরা।অনেক গল্প করি সেদিন আমরা।আমার জিহবায় এখনও লেগে আছে রাজা মিয়ার বাড়ীর বড়ই-ডালের স্বাদ।মানুষ এতোটা আন্তরিক হয় কি করে!তেমন লেখাপড়া নাই।স্ত্রী সন্তানের সুখময় ভবিষ্যতের জন্য বিদেশের মাটিতে গাধার মতো খাটেন।কোনো অভিযোগ অনুযোগ নেই।

সেদিন আসার সময় ব্যাগভর্তি গাছের কাঁচাপাকা বড়ই,সীম আরও কতোকিছুই না দিয়েছিলেন পরম মমতায়।মাধবপুর পর্যন্ত সাথে লোক পাঠিয়েছিলেন।

সৌদি আরবে পৌঁছে প্রথম ফোনটা আমাকেই দিয়েছিলেন রাজা।পৌঁছার সংবাদ।সাথে কৃতজ্ঞতা।

এরপর যতোবারই দেশে এসেছেন আমার জন্য এটা সেটা নানা উপহার না আনলে যেন তার চলতোই না।

সেই সাথে আবারও তার বাড়ীতে যাওয়ার বায়না তো সবসময়েই থাকতো।আমার  আর যাওয়া হয় নি ব্যস্ততার কারনে।তবে একটা আত্মার সম্পর্ক তৈরী হয়ে গিয়েছিল রাজা মিয়ার সাথে আমার।

সর্বশেষ মারা যাওয়ার আগে যেদিন দেশে আসে তার আগে এবং ঢাকায় বিমানবন্দরে নেমেও আমাকে ফোনে সালাম দিয়েছিলেন।

বাড়ীতে আসার পর ওইদিন শেষ রাতেই হার্ট অ্যাটাক হয় রাজা মিয়ার।হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা যান।হাসপাতালে নিয়ে আসায় শেষবারের মতো রাজা মিয়ার সহজ সরল মুখটা দেখার সুযোগ হয় আমার।

জাতীয়6 days ago

হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের নয়া কমিটিশোয়েব সভাপতি, সেলিম সম্পাদক

হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক দেশ রূপান্তরের জেলা প্রতিনিধি শোয়েব চৌধুরীকে সভাপতি ও স্টার নিউজের জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুর রউফ...

জাতীয়6 days ago

সশস্ত্র বাহিনী ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ দেশকে পরাস্ত করতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

সশস্ত্র বাহিনী যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে বাংলাদেশকে কখনো কেউ পরাস্ত করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ...

জাতীয়6 days ago

সিলেটে চালু হলো ‘কৃষকের হাট’, কম দামে মিলবে পণ্য

সিন্ডিকেট ব্যবস্থা ভাঙতে দেশে প্রথমবারের মতো সরকারি ব্যবস্থাপনায় সিলেটে চালু হলো ‘কৃষকের হাট’। জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের উদ্যোগে...

জাতীয়1 week ago

মাধবপুরে ফুটপাত দখল করে রমরমা বাণিজ্য: জনদুর্ভোগ চরমে, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

​মাধবপুর পৌরসভার জনবহুল বাসস্ট্যান্ড এলাকার প্রধান বাজারে প্রবেশের একমাত্র ফুটপাতটি এখন প্রভাবশালী ও স্বার্থান্বেষী মহলের দখলে। সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ...

দূর্নীতি2 weeks ago

বন কর্মকর্তা তোফায়েলের রামরাজত্ব

| সাবেক উপদেষ্টার আত্মীয় পরিচয়ে

জাতীয়2 weeks ago

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কলিমনগর এলাকার ত্রাস,জলফু, আক্কাছ ও ইউনুসের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কলিমনগর এলাকায় জলফু মিয়া, আক্কাছ মিয়া ও ইউনুস আলী নামের তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের...

জাতীয়2 weeks ago

মন্ত্রী আসবেন, তাই জোড়াতালি দিয়ে রাস্তার সংস্কার চলছে

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে আগামীকাল শনিবার (৩ এপ্রিল) হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানে একাধিক মন্ত্রীর সম্ভাব্য আগমন ঘিরে চলছে...

জাতীয়2 weeks ago

দুই নারী এমপিকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের বিচার চাইলেন রুমিন ফারহানা

দুই নারী সংসদ সদস্যকে নিয়ে একজন পুরুষ এমপির (আমির হামজা) ওয়াজ ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিচার চেয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ...

জাতীয়2 weeks ago

এলপিজির সরকারি দাম ১৭০০, বিক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে ১৯০০তে

এপ্রিল মাসের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করেছে। তবে বাজারে এই...

জাতীয়2 weeks ago

বাহুবলে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের ছাদে অবৈধ স্থাপনা, প্রশাসনের ৭ দিনের আল্টিমেটাম

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার হামিদনগর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মিত সরকারি কমপ্লেক্স ভবনের ছাদে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের...

Exit mobile version