হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪৩টি কেন্দ্রে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে বেসরকারিভাবে সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. আলাউদ্দিন মিয়া (কাপ পিরিচ) প্রতিকে বিজয়ী...
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতিকে প্রার্থী ইকবাল হোসেন খান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশের চৌধুরী মোটরসাইকেল প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন...
সংসদ সদস্যরা কত টাকা বেতন পান তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। যা নিয়ে গত মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের স্পিকারের...
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় উপজেলা নির্বাচন চলাকালীন এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৮ মে) সকাল সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার হোসেন্দি ইউনিয়নের ভবানিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে...
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শত বাধা অতিক্রম করে ২০০৭ সালের ৭ মে আমাকে দেশে ফিরতে হয়েছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকার, এমনকি আওয়ামী লীগের ভেতর থেকেও...
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে সংযোগ লাইনে বিঘ্ন ঘটায় গত ৪৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে উপজেলার ১৫ গ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহ, এতে জনজীবনে...
লাখাই উপজেলায় কাল বৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে আব্দুল মতিন (৭০) নামে একব্যক্তির প্রাণহানির ঘটনাঘটেছে। সেউপজেলার রাধানগর গ্রামের বাসিন্দা, রোববার (৫মে ) রাতে ভয়ে যাওয়া কাল বৈশাখী...
লাখাই উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃতিসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত সাবেক পুলিশ পরিদর্শক অমরেন্দ্র লাল রায়মারাগেছেন। শনিবার (৪মে) ভোর ৫ ঘটিকায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগকরেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রীসহ ২ ছেলে, ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, ঐদিন বিকাল ৪ঘঠিকায় ঐ বীর মুক্তিযুদ্ধার নিজবাড়ীতে লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদাসুলতানার উপস্থিতিতে লাখাই থানার ওসি আবুল খায়েরের নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনারদেয়। তারপর এ মুক্তিযোদ্ধার প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে পারিবারিক শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। তারমৃত্যুতেকৃষ্ণপুর গ্রামে নেমেছে শোকের ছায়া । গার্ড অব অনার কালে উপস্থিত ছিলেন:- লাখাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চেয়ারম্যানমুশফিউল আলম আজাদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেকসভাপতি মাহফুজুল আলম, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আরিফ আহাম্মদ রুপন, আবুল কাশেম মোল্লা ফয়সল, বীর মুক্তিযোদ্ধা কেশব চন্দ্র রায় সাংবাদিক আশীষদাশগুপ্তসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা অমরেন্দ্র লাল রায় লাখাই উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেআসছিলেন, পূর্বে তিনি অবসরপ্রাপ্ত সাবেক পুলিশ পরিদর্শক ছিলেন। তার নিজগ্রাম কৃষ্ণপুরে ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্ব মাসেকৃষ্ণপুর গণহত্যা সংঘটিত হয়, এসময় ১২৭ জন নারী পুরুষকে একলাইনে দাড় করিয়ে ব্রাশফায়ার এবং মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণমানুষকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছিল পাকিস্তান রাজাকার বাহিনীর দল। এদিনটিকে স্মরণীয় করতে এবীর মুক্তিযুদ্ধার নেতৃত্বে গ্রামবাসীর আর্থিক সহযোগীতায় কৃষ্ণপুর বধ্যভূমি নির্মান করা হয়, পরবর্তীতে প্রতিবছর তার নেতৃত্বে১৮ই সেপ্টেম্বর কৃষ্পুর গণহত্যা দিবস পালন করা হতো। ১২৭ জন নারীপুরুষকে শহিদ মুক্তিযুদ্ধা, বুদ্ধিজীবীর স্বীকৃতি ও দিবসটিকে সরকারিভাবে স্বীকৃতির জন্য কাজ করে যাচ্ছিলেনতিনি।
গুরুতর জখম করে চুরির মামলায় দীর্ঘ ৬ বছর পালিয়ে থাকার পর রাতে গ্রেফতার হয়ে সকালেই জামিন পেলেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মর্ত্তুজা হাসান। গতকাল বুধবার সকাল ১১টায়...
তীব্র দাবদাহে অতিষ্ঠ জনজীবন। এমন অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে বৃষ্টির আশায় দেওয়া হলো ব্যাঙের বিয়ে। এমন ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মশাদিয়া এলাকায় ।তবে বর-কনেছিল দুটি ব্যাঙ। ৩০/৩৫ টি বাড়িতে বৃষ্টির জন্য গান গাওয়া শেষে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করা হয়। স্থানীয়রা জানান, বাঁশের খুলোয়, দুইটি ব্যাঙ বেঁধে, বড়ই কাটা, বিভিন্ন গাছের পাতা দিয়ে খুলোয় মাথায় নিয়ে এইদিন দুপুরেইমন, সিয়াম, সজীব সঙ্গীয় শিশুরা ব্যাঙের বিয়ের আয়োজন করে। সে উপলক্ষে ‘ বেঙি পুতের বিয়ে ১৬ মডর দিয়ে, বেঙি মেঘদে, এছাড়াও আল্লাহ মেঘ দে, পানি দে, ছায়া দেরে তুই আল্লা, মেঘ দে পানি দে।’ বলে ঐ এলাকার ৩০/৩৫টি বাড়ি বাড়ি গিয়েচাল তুলে আর পুরো শরীরে পানি দিয়ে কাদা পানিতে গড়াগড়ি করে। শিশুদের এমন আনন্দকে স্বাগত জানিয়ে মেতে উঠেন ওইএলাকার বড়রা। তা শেষে ব্যঙ দুটি পানিতে ছেড়ে দেয় হয়। একপর্যায়ে সংগৃহীত চাল বিক্রি করে বিস্কিট ও জিলাপি এনে সকলে মিলে খাওয়া হয়। ঐ শিশুরা বলেন, ‘জমিতে পানি নাই।ধান খারাপ হওয়ার আশঙ্কায় বড়দের মুখে হাসি নাই। তাই আমরা বৃষ্টির জন্য ব্যাঙেরবিয়ের আয়োজন করেছি।’ মহিউদ্দিন নামে একজন বলেন,পুড়ানো দিনের সংস্কৃতি দেখে মনে পরে গেল শৈশবের কথা।আমরা ছোট বেলাত বৃষ্টি না হলেএভাবে ব্যাঙের বিয়ে দিছি, তারেক ও দোহা নামে দুইযুবক জানান, তীব্র গরমে মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা। টিউবওয়েলে পানি উঠছে না, চাষাবাদের জন্যও পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না।ফসলের উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। এ কারণে যাতে বৃষ্টি হয়, সে জন্য শিশুরা এই ব্যাঙের বিয়ের আয়োজন করেছে।